অমিত কাশ্যপের দেহ (ছবিঃX)

নয়াদিল্লিঃ বিগত কয়েকদিন আগে ফের শিরোনামে উঠে এসেছিল উত্তরপ্রদেশের (Uttar Pradesh) মিরাট (Meerut)। ঘর থেকে উদ্ধার হয় ঘুমন্ত যুবকের দেহ। আর দেহের পাশেই পাওয়া গিয়েছিল একটি বিষধর সাপ। রটে গিয়েছিল সাপের ছোবলেই মৃত্যু হয়েছে যুবকের। কিন্তু ময়নাতদন্তের রিপোর্ট ঘুরিয়ে দিল ঘটনার মোড়। জানা গিয়েছে, সাপের ছোবলে নয়, করে খুন করা হয়েছে ওই যুবককে। আর এই গোটা ঘটনায় জড়িত ওই যুবকের স্ত্রী এবং তার প্রেমিক। ইতিমধ্যেই খুনের দায়ে অভিযুক্ত স্ত্রী ও তার প্রেমিককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। জেরায় অপরাধের কথা স্বীকার করেছে স্ত্রী, এমনটাই পুলিশ সূত্রে খবর।

আরও পড়ুনঃ মিরাট কাণ্ডের ছায়া, প্রেমিকের সাহায্য নিয়ে স্বামীকে কুপিয়ে খুন নাবালিকা স্ত্রীর

প্রেমিকের বুদ্ধিতে স্বামীকে খুন স্ত্রীর

গত মঙ্গলবার মিরাটের বাড়ি থেকে উদ্ধার হয় কে অমিত কাশ্যপ নামে এক যুবকের দেহ। নিজের খাটে ঘুমোচ্ছিলেন অমিত। আর ওঠেননি। দেহের পাশে বসে থাকতে দেখা যায় একটি সাপকে। ফলে রটানো হয় সাপের কামড়েই মৃত্যু হয়েছে তাঁর। তবে সন্দেহ হয় পুলিশের। মৃতদেহটি পাঠানো হয় ময়নাতদন্তের জন্য। আর এবার ময়নাতদন্তের রিপোর্টে উঠে এল হাড় হিম করা তথ্য। সাপের কামড়ে নয় শ্বাসরোধ করে খুন করা হয়েছে বলে উল্লেখ রয়েছে ওই রিপোর্টে। এরপরই গোটা ঘটনার তদন্ত শুরু করে পুলিশ। প্রথম থেকেই পুলিশের সন্দেহের তালিকায় ছিল অমিতের স্ত্রী রবীতা। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করে পুলিশ। পরে পুলিশি জেরায় ভেঙে পড়ে রবীতা। পুলিশকে সে জানায়, প্রেমিকের অমরদ্বীপের সঙ্গে মিলে স্বামীকে খুন করেছে সে। নজর ঘোরাতে আনা হয়েছিল সাপটিকে। এক ওঝাঁর কাছে থেকে ১ হাজার টাকা দিয়ে কিনে আনা হয় সাপটিকে। অমিতকে খুন করে দেহের পাশে ছেড়ে দেওয়া হয় সাপটিকে। ইতিমধ্যেই রবীতা ও তার প্রেমিক অমরদ্বীপকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

প্রেমিকের সঙ্গে মিলে স্বামীকে খুন করে সাপের ঘাড়ে দোষ দিল স্ত্রী