Mann Ki Baat: প্রজাতন্ত্র দিবসেই বছরের প্রথম 'মন কি বাত' জানাবেন নরেন্দ্র মোদি
মন কি বাত অনুষ্ঠানে নরেন্দ্র মোদি (Photo Credits: PTI)

নতুন দিল্লি, ১৫ জানুয়ারি: ২৬ জানুয়ারি প্রজাতন্ত্র দিবস। বছরের হিসেবে এদিনই নতুন বছরে প্রথম 'মন কি বাত'-এর (Mann Ki Baat) অনুষ্ঠানে আসবেন দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Narendra Modi)। সেই সঙ্গেই 'মন কি বাত' পা দেবে ৬১ তম পর্বে। ঘড়ির কাঁটা সকাল ১১টা ছুঁলেই অল ইন্ডিয়া রেডিও ও দূরদর্শন নেটওয়ার্কে সম্প্রচারিত হতে শুরু করবে অনুষ্ঠানটি। অনুষ্ঠানের বিষয়ে ইতিমধ্যেই নিজের সোশ্যাল মিডিয়া হ্যান্ডেল থেকে টুইট করে আমজনতাকে অনুষ্ঠান শুনতে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন তিনি। সেই সঙ্গে অনুষ্ঠানের বিষয়ে সাধারণ মানুষকে নিজেদের মতামত জানানোর কথাও লিখলেন সোশ্যাল মিডিয়ায়।

বছরের প্রথম মন কি বাতে কোন বিষয়ে আলোকপাত করেন প্রধান মন্ত্রী সেটাই এখন দেখার। তবে অনুষ্ঠানের দিকে যে সারা দেশের (India) নজর থাকবে, সে কথা বলাই বাহুল্য। কারণ সবারই ভাবনাই রয়েছে বছরের শুরুতে দেশে সদ্য লাগু হওয়া নাগ্রিক আইন নিয়ে নতুন কোনও থাকে কি না সেদিকে। এর আগে ৬০তম 'মন কি বাত'-এ অতি সাধারণ হলেও তাঁকে উল্লেখযোগ্যভাবে দেশের যুব সম্প্রদায়ের প্রতি বার্তা দিতে শোনা গিয়েছিল। এদিন যুব সম্প্রদায়ের উদ্দেশে তাঁকে বলতে শোনা যায়, "দেশের যুবদের প্রতি অগাধ আস্থা আছে।" প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘‘এখনকার যুব সম্প্রদায় একেবারেই অন্যরকম। তাঁরা শতাব্দীর ভাবনা ভাবেন। তাঁরা সোশ্যাল মিডিয়ার প্রতি অনুরক্ত। তাঁরা সবাই এখন অত্যাধুনিক ‘জেড’ প্রজন্ম। আগামী দশকে এই যুব সম্প্রদায়ই দেশের চালিকাশক্তি হয়ে উঠবে। এখনকার যুব সম্প্রদায় নিয়ম, শৃঙ্খলায় বিশ্বাসী। হাজারো বিষয় সম্পর্কে তাঁরা খোঁজখবর রাখেন। তাঁদের উপর নিজস্ব মতামতও রয়েছে তাঁদের। এটা একটা বিরাট ব্যাপার। এই যুব সম্প্রদায় স্বজনপোষণ, সরকারের স্থায়িত্বের অনিশ্চয়তা, বিশৃঙ্খলা পছন্দ করে না।’’ তাঁর আগে ৫৯ তম মন কি বাত অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী বলেছিলেন, রাজনীতিতে (Politics) আসার কোন ইচ্ছেই তাঁর ছিল না। তিনি নিজেকে এখনও এনসিসি ক্যাডেট হিসাবে দেখেন। আরও পড়ুন: Mann Ki Baat: 'দেশের যুবসমাজের ওপর অগাধ আস্থা আছে'... সিএএ উত্তাল পরিস্থিতি সামাল দিতে কি ঘুরিয়ে মন কি বাত জানালেন নরেন্দ্র মোদি?

এছাড়া পশ্চিম বিহারের (Bihar) চম্পারণ জেলায় একটি স্কুলের প্রাক্তনীরা কীভাবে কোনও সরকারি কর্মসূচি, কোনও সরকারি উদ্যোগ ছাড়াই একটি স্বাস্থ্য শিবিরের (Health Camp) আয়োজন করেছে, তারও উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী। সেই দৃষ্টান্তকে সামনে রেখে এই সব কাজে যুব সম্প্রদায়কে আরও বেশি করে এগিয়ে আসারও আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী।