দিল্লি, ২৪ জুলাই: আহমেদাবাদে (Ahmedabad) বোয়িং ৭৮৭ ভেঙে পড়ার পর গুরুতর সিদ্ধান্ত নেন এয়ার ইন্ডিয়ার চালকরা। আহমেদাবাদে লন্ডনগামী বিমান ভেঙে পড়তেই এয়ার ইন্ডিয়ার (Air India Plane Crash) ১০০-র বেশি চালক ছুটি নিয়ে নেন। অসুস্থতা দেখিয়ে এয়ার ইন্ডিয়ার ওই ১১২ জন বিমান চালক সিক লিভ নিয়ে নেন বলে রিপোর্টে প্রকাশ। বৃহস্পতিবার সংসদে এমনই জানান জুনিয়র অসামরিক বিমান পরিবহণ মন্ত্রকের মন্ত্রী মরলিধর মোহল।
মন্ত্রী বলেন, এয়ার ইন্ডিয়ার বিমান ভেঙে পড়ার পর ওইদিন ৫১ জন কমান্ডার ৬১ জন ফ্লাইট অফিসার (Air India Pilot) ছুটির আবেদন করেন। বোয়িং ভেঙে পড়ার পরপরই ওই এয়ার ইন্ডিয়ার চালকরা ছুটির আবেদন করে বসেন। ১২ জুনের ঘটনায় বিমান চালকদের মনে যে ভয়, ভীতির সঞ্চার হয়, তা থেকে তাঁদের কাটিয়ে ওঠানোর জন্য কাউন্সেলিং ওই সময় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে দাঁড়ায় বলে জানান মুরলিধর মোহল।
গত ১২ জুন ভেঙে পড়ে এয়ার ইন্ডিয়ার একটি বোয়িং। আহমেদাবাদ থেকে লন্ডনে উড়ে যাওয়ার পথে ভয়াবহ দুর্ঘটনা ঘটে যায়। যার জেরে বিমানের ২৪১ জন যাত্রীর মৃত্যু হয়। ২৪২ জন যাত্রীর মধ্যে মাত্র একজন বেঁচে ফেরেন।
সেই সঙ্গে লন্ডনগামী এয়ার ইন্ডিয়ার বিমানটি যে মেডিকেল হস্টেলে ভেঙে পড়ে, সেখান থেকেও মৃত্যুর খবর আসে। ফলে এয়ার ইন্ডিয়ার বিমান দুর্ঘটনায় মোট ২৭৪ জনের মৃত্যু হয় বলে জানা যায়। যা বিমান দুর্ঘটনার ইতিহাসে অন্যতম বড় বিপর্যয় বলে মনে করা হয়।
এয়ার ইন্ডিয়ার বিমান দুর্ঘটনায় ভারতীয়দের পাশাপাশি বেশ কয়েকজন বিদেশি নাগরিকেরও মৃত্যু হয়। যাঁদের সঠিক দেহ লন্ডনে নিজেদের বাড়িতে পাঠানো হয়নি বলে দুই পরিবারের তরফে অভিযোগ করা হয়। যার পালটা উত্তর হিসেবে মুখ খোলে শেষ পর্যন্ত বিদেশ মন্ত্রকও। যে ঘটনা নিয়েও আলোচনা এই মুহূর্তে শুরু হয়েছে।