দিল্লি, ২৩ জুলাই: আহমেদাবাদ বিমানবন্দরে গত ১২ জুন ভেঙে পড়ে এয়ার ইন্ডিয়ার লন্ডনগামী একটি বিমান। যেখানে থাকা ২৪২ জন যাত্রীর মধ্যে ২৪১ জনেরই মৃত্যু হয়। যে ভয়াবহ বিমান দুর্ঘটনা কাঁপিয়ে দেয় প্রায় গোটা বিশ্বকে। এয়ার ইন্ডিয়ার বিমান দুর্ঘটনায় নিহতদের মধ্যে বেশ কয়েকজন বিদেশিও ছিলেন। লন্ডনগামী বিমান হওয়ায় সেখানে বিদেশি যে যাত্রীরা ছিলেন, তাঁদেরও মৃত্যু হয় এক নিমেষে। তবে মৃত্যুর পর আপনজনের মৃতদেহ না পেয়ে, অন্য কারও দেহ হাতে পেয়েছেন। এমনই দাবি করলেন গত ১২ জুনের দুর্ঘটনায় নিহত দুই ব্রিটিশ যাত্রীর পরিবার।
এয়ার ইন্ডিয়ার বিমানে ওই ২ ব্রিটিশ যাত্রী ছিলেন। ভয়াবহ দুর্ঘটনায় তাঁদের মৃত্য়ু হলে, সরকার যে ডিএনএ নমুনা কিংবা পোড়া, ঝলসানো দেহ (যাঁদের ক্ষেত্রে সম্ভব হয়) পাঠায়, তাঁদের মধ্যে ২টি ভুল দেহ লন্ডনের ২ পরিবারের কাছে পাঠানো হয় বলে অভিযোগ।
আরও পড়ুন: Air India: খুলছে আকাশসীমা, বুধ থেকে পশ্চিম এশিয়ায় ফের বিমান পরিষেবা চালু এয়ার ইন্ডিয়ার
এয়ার ইন্ডিয়ার বোয়িংয়ে যে ব্রিটিশ নাগরিকরা ছিলেন, তাঁদের বেশ কয়েকজনরে শেষকৃত্য ভারতে সম্পন্ন করা হয়। বাকি ১২ জন যাত্রীর দেহ ব্রিটেনে তাঁদের পরিবারের হাতে হস্তান্তর করা হয়। যে যাত্রীদের দেহ ব্রিটেনে পাঠানো হয়, তাঁদের মধ্যে ২টি পরিবার দাবি করেন, তাঁরা ভুল মানুষের দেহ হাতে পেয়েছেন।
প্রসঙ্গত আহমেদাবাদ হাসপাতালে বিমান দুর্ঘটনায় মৃতদের দেহের নমুনা সংগ্রহের পর তা পরীক্ষা করে দেখা হয়। এরপর সেই পরীক্ষার ফল মিলিয়ে দেখা হয় পরিবারের কারও থেকে নেওয়া রক্তের নমুনার সঙ্গে। বিমান দুর্ঘটনায় যাত্রীদের দেহ পুড়ে, ঝলসে যাওয়াতেই ওই পন্থা অবলম্বন করা হয় প্রশাসনের তরফে।