Trump at the Israel Parliament. (Photo Credits:X)

Trump Israel Gaza War: অবশেষে দু বছর পর ইজরায়েল থেকে পণবন্দি করে গাজায় ধরে রাখা সব জীবিত পণবন্দিদের (Gaza Hostages) মুক্তি দিল হামাস (Hamas)। সোমবার গাজা সীমান্ত দিয়ে ২০ জন পণবন্দিদের দেশে ফিরিয়ে আনল ইজরায়েলের পণবন্দিদের। তাঁদের স্বাগত জানাতে রাস্তায় হাজির ছিল হাজার হাজার ইজরায়েলি। মুক্তি পাওয়া পণবন্দিদের সেনার বিশেষ গাড়ি করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। ইজরায়েলের রাজধানী তেল আভিভের কাছে শেবাবা হাসপাতালে গিয়ে পণবন্দিদের সঙ্গে দেখা করতে পারেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প।

ইজরায়েল মাতালেন ট্রাম্প

ইজরায়েলে আজ 'ট্রাম্প দিবস'

হামাসের হাত থেকে মুক্তি পাওয়া সব পণবন্দিদের বিশেষ সম্মান দেওয়ার কথা ভাবছে ট্রাম্প প্রশাসন। ট্রাম্প এদিন সকালে ইজরায়েল পৌঁছন। ঠিক তার আগেই প্রথমে ইজরায়েলের ১৩ জন পণবন্দিদের নেতানিয়াহুর দেশের সেনার হাতে তুলে দেয় হামাস।

ইজরায়েলের পার্লামেন্টে হাততালি জানিয়ে সম্মান প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে

ইজরায়েলের পার্লামেন্টে দাঁড়িয়ে ট্রাম্প গাজায় যুদ্ধ শেষের ঘোষণা করেন। ইজরায়েলের পার্লামেন্টে ট্রাম্পের প্রশংসা পঞ্চমুখ হলেন নেতানিয়াহুর দেশের জনপ্রতিনিধিরা। এরপরই ইজিপ্টে গাজায় যুদ্ধ পরবর্তী পরিস্থিতি নিয়ে বিশেষ শান্তি বৈঠকে বসছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। জার্মানি, ফ্রান্স সহ ইউরোপের বিভিন্ন দেশ, সৌদি আরব, কাতার, ইজিপ্টের রাষ্ট্রপ্রধানরা ট্রাম্পের ডাকা সেই বৈঠকে থাকবেন। কিন্তু ইজরায়েলে ইহুদি ছুটির কথা বলে এই বৈঠকে উপস্থিত থাকছেন না বলে জানিয়েছেন ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু।

গাজায় থামল যুদ্ধ

২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর গাজা সীমান্ত পেরিয়ে ইজরায়েলে ঢুকে পড়ে বহু সাধারণ মানুষদের নৃশংসভাবে ধরে নিয়ে গিয়েছিল হামাস ও প্যালেস্টাইনের নানা সংগঠনের জঙ্গিরা। ইজরায়েলে হামলা চালিয়ে প্রায় ১২০০ মানুষকে হত্যা এবং ২৫১ জনকে পণবন্দি করে গাজায় নিয়ে যায় হামাস জঙ্গিরা। পণবন্দিদের মধ্যে ইজরায়েলি নাগরিক, বিদেশি এবং দ্বৈত নাগরিকত্বধারী ছিলেন। হামাসের হাতে পণবন্দি ২৫১ জনের মধ্যে প্রায় ৭০ জন মারা যান। এর মধ্যে আক্রমণের সময় প্রায় ৩০-৪০ জন মৃতদেহ গাজায় নিয়ে যাওয়া হয়, যা পণবন্দি হিসেবে গণ্য হয়। গাজায় বন্দি থাকা অবস্থায় প্রায় ৩০-৪০ পণবন্দিদের হামাস হত্যা করে বা অবহেলায় মারা যায়। ইজরায়েলি গোয়েন্দা সূত্র অনুসারে, বাকি ৪৭ জনের মধ্যে অন্তত ২৫ জন মারা গিয়েছিলেন।