ভারতের সঙ্গে প্রথাগত যুদ্ধে হেরে যেতে পারে পাকিস্তান, স্বীকার করেও ইমরান খানের পরমাণু যুদ্ধের হুঁশিয়ারি
ইমরান খান (Photo Credits: Getty Images)

ইসলামাবাদ, ১৫ সেপ্টেম্বর : নিজেদের প্রকৃত ক্ষমতা বোধ হয় বুঝতে পেরে পিছু হটলেন পাকিস্তানের (Pakistan) প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান (Imran Khan)। বললেন ভারতের সঙ্গে প্রচলিত যুদ্ধ (Conventional War) হলে হেরে যেতে পারে পাকিস্তান। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম আল জাজ়িরাকে (Al Jazeera) দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে (Interview) ইমরান খান বলেছেন, ভারতের সঙ্গে যদি 'প্রচলিত' যুদ্ধে (Conventional War) পাকিস্তান নামে, তাহলে পাকিস্তানের হেরে যাওয়ার সম্ভাবনা প্রবল। পাশপাশি , তিনি জানিয়েছেন, যে কোনও মতেই পরমাণু যুদ্ধ (nuclear standoff) শুরু করবে না ইসলামাবাদ (Islamabad)। নয়া দিল্লি-ইসলামাবাদ সম্পর্ক ক্রমেই তলানিতে গিয়ে ঠেকেছে। কাশ্মীর থেকে ৩৭০ ধারা (Article 370) অবলুপ্তির (Abrogation) পর থেকেই দুই দেশের কূটনৈতিক তথা দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যিক সম্পর্ক অত্যন্ত খারাপ পর্যায়ে গিয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে বারবার পাকিস্তানের তরফ থেকে এসেছে হুমকি, দেওয়া হয়েছে পরমাণু হামলার হুমকি। তবে বিশ্বদরবারে এই ইস্যুতে বার বার মুখ পোড়ায় খানিকটা ঢোঁক গিলতে বাধ্য হলেন ইমরান

 

ইমরান খান বলেন, "যখন দুটি পরমাণু শক্তিধর দেশ যুদ্ধ শুরু করে, তখন তার পরিণতি হয় পরমাণু যুদ্ধেই (nuclear standoff) । যদি আত্মসমর্পণ আর স্বাধীনতার যুদ্ধের জন্য লড়াইয়ের মধ্যে কোনও একটিকে বেছে নিতে হয় তাহলে পাকিস্তান পিছিয়ে পড়বে। হেরে যাবে। আমি জানি স্বাধীনতার জন্য পাকিস্তান শেষ শ্বাস পর্যন্ত লড়াই করবে। আর পরমাণু শক্তিধর দেশ যখন লড়াইয়ের রাস্তায় নামে তখন তার ফলাফল ভালো হয় না।" ইমরান জানান, এসব মাথায় রেখেই পাকিস্তান কাশ্মীর ইস্যুতে রাষ্ট্রসংঘ (United nations) ও আন্তর্জাতিক মঞ্চে গেছে। তিনি বলেন, "এই কারণেই পাকিস্তান আন্তর্জাতিক মহলের কাছে গেছে কাশ্মীর নিয়ে। তাদের কিছু করতেই হবে। না হলে সম্ভাব্য বিপর্যয়ের হাত থেকে তারাও বাঁচতে পারবে না।" আরও পড়ুন :  শোভন চ্যাটার্জি-র বিজেপি ছাড়ার জল্পনায় যোগ তৃণমূলের এক শীর্ষ নেতার ফোন! 'পদ্ম বাগানে কানন ঝরা' নিয়ে মিডিয়ায় ব্রেকিং নিউজের ঝড়

 

শুক্রবার পাকিস্তান অধিকৃত কাশ্মীরে (POK) গিয়ে ইমরান খান একই দাবি করেন। বলেন, কাশ্মীরে যা পরিস্থিতি তাতে বহু মুসলিমকেই 'উগ্রপন্থার' দিকে যেতে হবে। আর ভারতের বিরুদ্ধে এরা সরব হবে। আর তা হবে, যদি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় কাশ্মীর ইস্যুকে সমাধান না করে।"