Zakir Naik: মালয়েশিয়ায় বসেই পিস টিভির জন্য অর্থ সংগ্রহ করছে ভারতের মোস্ট ওয়ান্টেড জাকির নায়েক
জাকির নায়েক(Photo Credit: ANI)

মুম্বই, ২৬ মে: ভারতের অন্যতম পলাতক ইসলাম প্রচারক জাকির নায়েক (Zakir Naik) এখন মালয়েশিয়ায় রয়েছেন। সেখানে বসেই নিজের মৌলবাদী কর্মকাণ্ড সচল রাখতে উপসাগরীয় এলাকর ধনী ব্যক্তিদের থেকে মোটা অংকের তহবিল জোগাড় করে চলেছেন। সূত্রের খবর, সম্প্রতি জাকির নায়েক তাঁর পুরনো পরিচিতদের মধ্যে থেকে কাতারের এক ধনী ব্যক্তির সঙ্গে ফের যোগাযোগ করেন। রোজার মাসের বড় অংশের আর্থিক অনুদানের জন্য ওই ব্যক্তিকে অনুরোধও করেন জাকির নায়েক। জানা যায় কাতারের সেই ধনকুবের জাকির নায়েককে ৫ লক্ষ মার্কিন ডলার অনুদানের আশ্বাস দেন। ওই ধনকুবের জাকির নায়েকের খুব কাছের লোক। শুধু আর্থিক অনুদানই নয়, স্থানীয় যত ধনী ব্যক্তি রয়েছেন সবার সঙ্গেই জাকির নায়েকের পরিচয় করিয়ে দিয়েছেন। যাতে তাঁর সংগঠন আর্থিকভাবে সমৃদ্ধ হতে পারে।

এটা মনে রাখতে হবে যে জাকির নায়েক মুম্বইয়ের একজন টেলিভিশনবিদ ইসলাম প্রচারক। ইসলামির রিসার্চ ফাউন্ডেশন ও পিস টিভির প্রতিষ্ঠাতা তিনি। উর্দু ও ইংরেজিতে এই পিস টিভি চ্যানেলের ব্রডকাস্ট হত সৌদি আরব থেকে। স্থানীয় বিভিন্ন ইসলামকি প্রচারমূলক সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন জাকির নায়েক। এই সংগঠনগুলির মধ্যে উল্লেখযোগ্য কর্ণাটকের সালাফি মুভমেন্ট, আললিসান ইসলামিক ফাউন্ডেশন। একই সঙ্গে উপসাগরীয় অঞ্চলের বিভিন্ন ব্যাংক অ্যাকাউন্টও মেনটেন করতেন নায়েক। ভারত সরকারের তদন্তে থেকে বাঁচতে কাতার ও সংযুক্ত আরব আমীরশাহী থেকে বিভিন্ন রকম আর্থিক অনুদান সংগ্রহ করতেন। এই সব টাকায় নিজের ইসলামিক রিসার্চ ফাউন্ডেশনকে সচল রাখাই তাঁর কাজছিল। যদিও জাকির নায়ক পালিয়ে যেতেই সেই থেকে ভারতে ৫ বছর যাবৎ নিষিদ্ধ রয়েছে তাঁর ইসলামিক রিসার্চ ফাউন্ডেশন। আরও পড়ুন- Donald Trump: কোভিডের চিকিৎসায় হাইড্রক্সিক্লোরোকুইনে না হু-র, ডোনাল্ড ট্রাম্প বললেন ২ সপ্তাহ ধরে এই ওষুধই খেয়েছেন

ইসলাম ধর্ম প্রচারের মাধ্যমে জাকির নায়েক মুসলিম যুবকদের এমনভাবে উদ্বুদ্ধ করেছিলেন যে ভারত-সহ বিভিন্ন দেশের যুব সামেজের একটা বড় অংশ বিভিন্ন কট্টরবাদী সংগঠনে নাম লেখাতে শুরু করে। জাকির নায়েক বেশকিছু অনুগামী আবার জঙ্গি সংগঠনেও নাম লেখায়। কেরালার পিস আন্তর্জাতিক স্কুলের আবদুল্লা ও তাঁর স্ত্রী ইয়াসমিন যেমন ২৩ জনের একটি দলকে মোটিভেট করে আফগানিস্তানে পাঠিয়েছে। সেই ২৩জনই আফগান কট্টরবাদী সংগঠনে যোগ দিয়েছে।