PIA Flight Crashes:
বিমানের পাইলট (Photo: Twitter)

করাচি, ২২ মে: বিমানকর্মী ও যাত্রী সহ ১০৭ জনকে ভেঙে পড়েছ পাকিস্তান এয়ারলাইন্সের (Pakistan International Airlines) একটি বিমান। লাহোর থেকে করাচি (Karachi) যাওয়ার পথে সেটি ভেঙে পড়ে। বিমানটি মালির মডেল কলোনির কাছে জিন্নাহ গ্রাউন্ড এলাকায় ভেঙে পড়ে। এয়ারবাস এ৩২০ বিমানটি রওনা হয় লাহোর থেকে। ছিলেন ৯৯ জন যাত্রী, ৮ জন ক্রু সদস্য। বিমানের ধ্বংসাবশেষ থেকে বের করা হচ্ছে একের পর এক মৃতদেহ। পাকিস্তানে করোনাভাইরাস মোকাবিলায় চালু লকডাউন উঠে যাওয়ার পর এটাই ছিল প্রথম যাত্রীবাহী উড়ান। করাচি বিমানবন্দরে অবতরণের মিনিট খানেক আগেই যান্ত্রিক ক্রুটি কারণে বিমানটি ভেঙে পড়ে। বিমানবন্দরের নিকটবর্তী আবাসিক এলাকার একটি বাড়িতে ধাক্কা মেরে ভেঙে পড়ে আগুন ধরে যায়।

পাকিস্তানের সংবাদমাধ্যমগুলির খবর অনুযায়ী, বিমানটি দুর্ঘটনায় কবলে পড়ার একেবারে আগের মুহূর্তে তার চালকের শেষ কথার অডিও ক্লিপ পাওয়া গেছে। তিনি বিপদের কথা জানিয়ে দিয়েছিলেন করাচি এয়ার ট্র্যাফিক কন্ট্রোলকে (ATC)। তাঁকে বলতে শোনা যাচ্ছে, "একটা ইঞ্জিন খারাপ হয়ে গেল।" এটি শুনে এটিসি নিয়ন্ত্রণকারীরা পাইলটকে "বেলি ল্যান্ডিং অর্থাৎ ল্যান্ডিং গিয়ার না বাড়িয়ে অবতরণ করছেন কি না তা নিশ্চিত করতে বলেছিলেন। কিছু মুহুর্তের পরে পাইলটকে বলতে শোনা যায়, "মেডে, মেডে। (Mayday, Mayday)" আরও পড়ুন: Pakistan International Airlines Flight Crashes: ১০৭ জন যাত্রী নিয়ে করাচিতে ভেঙে পড়ল পাকিস্তান ইন্টারন্যাশনাল এয়ারলাইন্সের বিমান

এটি আসলে কোড। গভীর বিপদে পড়লে এই কোড ব্যবহার করেন পাইলটরা। বিমান চরম বিপর্যয়ে পড়েছে, ভেঙে পড়ার মুখে, যখন কোনওভাবেই বিপদ এড়াতে পারা যাচ্ছে না, বুঝতে পারেন বিমানচালক। তখন এই কোড ব্যবহার করেন পাইলটরা। 'মেডে' কল শোনার পরই এটিসি পাইলটকে বলেছিল, করাচি বিমানবন্দরে উভয় রানওয়ে অবতরণ করার জন্য খোলা রয়েছে। এরপর আর পাইলটের কথা শোনা যায়নি অডিও ক্লিপে।

তবে, পাকিস্তান ইন্টারন্যাশনাল এয়ারলাইন্সের প্রধান এয়ার ভাইস মার্শাল আরশাদ মালিক বলেছেন যে পাইলট শেষ মুহূর্তে অবতরণ না করে আরেকবার চক্কর মারার কথা জানিয়েছিলেন। মালিক জানান, ঘটনার তদন্তর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।