দিল্লি, ১৮ জুন: ইরানের প্রধান ধর্মীয় নেতা আয়াতোল্লা আলি খোমেইনিকে (Ayatollah Ali Khamenei) হুমকি দিয়েছেন বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু (Benjamin Netanyahu)। ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর হুমকির পর পালটা সুর চড়ান খোমেইনি। তিনি বলেন, 'জিওনিস্টদের কোনও ক্ষমা নেই।' তবে ইজরায়েল যেভাবে খোমেইনির বিরুদ্ধে সুর চড়ায়, তার জেরে আশঙ্কা ছড়াতে শুরু করেছে। ফলে খোমেইনির যদি পতন হয়, তাহলে তাঁর জায়গায় ইরানে কে কে মসনদে বসতে পারেন, এমন প্রশ্ন উঠছে।
খোমেইনির পরে পরপর ৫ জনের নাম উঠে আসেছে। যাঁদের মধ্যে প্রথমেই নাম রয়েছে মোসতাবা খেমেইনি। আয়াতোল্লা খোমেইনির দ্বিতীয় পুত্র হলেন মোসতাবা খেমেইনি। ১৯৬৯ সালে জন্ম হয় মোসতাবা খোমেইনির। এই মুহূর্তে মোসতাবা খোমেইনিও ইরানের একজন ধর্মগুরু হিসেবে পরিচিত।
আলিরেফা আরাফির নাম রয়েছে দ্বিতীয়তে। খোমেইনির বিশ্বস্ত সঙ্গী হিসেবে আলিরেজা আরাফির নাম পরিচিত। ইরান গঠনে আরাফির নাম উল্লেখযোগ্য় বলে জানা যায়।
আলি আসগর হেজ়াজ়ির নাম রয়েছে তৃতীয়তে। ইরানের প্রশাসনে হেজ়াজ়ির নাম উল্লেখযোগ্য। ইরানের যে গুপ্তচর সংস্থা রয়েছে, সেখানে হেজ়াজ়ির নাম উল্লেখযোগ্য। ইরানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রকেও হেজ়াজ়ির ভূমিকা রয়েছে।
মহম্মদ গোলপায়েগানিও রয়েছেন এই তালিকায়। খোমেইনির পতন হলে এই ব্যক্তিও ইরানের প্রধান ধর্মগুরুর পদে বসতে পারেন বলে শোনা যাচ্ছে। খামেইনির অফিসের প্রধান কর্মী হলেন এই মহম্মদ গোলপায়েগানি। খামেইনির অত্যন্ত বিশ্বাসভাজন একজন কর্মী হলেন এই মহম্মদ গোলপায়েগানি।
এসবের পাশাপাশি ইরানের অ্যাসেম্বলির যে ৮৮ জন সদস্য রয়েছেন, তাঁদের মধ্যে থেকেও কেউ খোমেইনির পদে বসতে পারেন বলে মনে করা হচ্ছে। তবে কারা, সে বিষয়ে কিছু জানা যায়নি।