Taiwan: বাড়ল চিনের চাপ! তাইওয়ানের নতুন রাষ্ট্রপতি হলেন লাই চিং তে
Photo Credits: ANI

তাইপে: চিনের চাপ বাড়িয়ে তাইওয়ানের (Taiwan) নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হলেন এতদিন ভাইস প্রেসিডেন্ট পদে থাকা ডেমোক্রেটিক প্রোগ্রেসিভ পার্টির (Democratic Progressive Party) প্রার্থী লাই চিং তে (DPP candidate Lai Ching-te)। এর ফলে বেজিংয়ের চিন্তার ভাঁজ আরও বাড়বে বলে মনে করছেন আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞরা। আরও পড়ুন: US Attack In Howti Locations : লোহিত সাগরে হামলার জের, ইয়েমেনের ৩০ টি স্থানে পাল্টা হামলা মার্কিন এবং ব্রিটিশ বাহিনীর

তাইওয়ানের জাতীয় নির্বাচন কমিশনের রিপোর্ট অনুযায়ী, লাই ৫০ লক্ষের বেশি ভোট পেয়েছেন। এবারের ভোট পড়েছিল ৯০ শতাংশের বেশি। সেখানে ৪০ শতাংশের বেশি ভোট পেয়েছেন লাই চিং তে। এবার নির্বাচনের আগে থেকেই তাঁর নাম সবথেকে বেশি আলোচিত হচ্ছিল। চিন (China)-ঘেঁষা অন্য দুই প্রার্থীকে হারিয়ে তিনিই দেশের রাষ্ট্রপতি হবে বলে মনে করছিলেন রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা। ফলাফল প্রকাশ পাওয়ার পরে দেখা গেল সেই অনুমানই সত্যি হয়েছে।

তাইওয়ানের ৬৪ বছর বয়সী অজ্ঞিজ্ঞ রাজনৈতিক নেতা লাই চিং তে উইলিয়াম লাই হিসেবেও পরিচিত। প্রেসিডেন্ট পদে তিনি ক্ষমতাসীন স্বাধীনতাপন্থী ডেমোক্রেটিক প্রগ্রেসিভ পার্টির (ডিপিপি) প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা (presidential polls) করেছেন। ২০২০ সালে তাইওয়ানের ভাইস প্রেসিডেন্ট হওয়ার আগে তিনি একজন সাংসদ ছিলেন। এছাড়া ২০১৭ ও ২০১৯ সালে বিদায়ী প্রেসিডেন্ট সাই ইং ওয়েনের প্রধানমন্ত্রী হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন। এর আগে দুই মেয়াদে দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর তাইনানের জনপ্রিয় মেয়র ছিলেন লাই। প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হলে তিনি পূর্বসূরি সাইয়ের পথই কঠোরভাবে অনুসরণ করবেন বলে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। সাইয়ের নীতি হল, চিন থেকে বিচ্ছিন্ন ভূখণ্ড হিসেবে তাইওয়ানকে স্বাধীন একটি দেশ হিসেবে গড়ে তোলা। তাই সাইয়ের নীতি কী হবে, তা আর বলার দরকার নেই। অথচ চিন ২ কোটি ৪০ লাখ জনগোষ্ঠীর তাইওয়ানকে নিজেদের ভূখণ্ড হিসেবেই বিবেচনা করে। প্রয়োজনে তাইওয়ানকে জোরপূর্বক দখল করার হুমকিও দিয়ে রেখেছে বেজিং।

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, লাই রাজনীতিতে আসার অনুপ্রেরণা পেয়েছেন চিনের কাছ থেকেই। তিনি তাইওয়ানের উত্তরাঞ্চলের একটি দরিদ্র গ্রাম থেকে উঠে এসেছেন। সেই গ্রামে ছিল কয়লাখনি। তাঁর বাবা ছিলেন কয়লা শ্রমিক। তিনি যখন ছোট, তখনই তাঁর বাবা মারা যান। এরপর তাঁর মা একাই ছয় সন্তানকে বড় করেন। লাইয়ের মুখপাত্রের কথায়, শৈশবে দেখা লাইয়ের দুঃখকষ্টই তাঁকে সুবিধাবঞ্চিত ও সংখ্যালঘুদের প্রতি সমব্যথী হতে শিখিয়েছেন। তিনি তাইওয়ানের খ্যাতনামা বিশ্ববিদ্যালয়ে মেডিসিন বিষয়ে পড়াশোনা করেছেন। পরে হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে জনস্বাস্থ্যের ওপর স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেছেন। আরও পড়ুন: US Sanction : হাউতিদের সাহায্যের অভিযোগে হংকং এবং সংযুক্ত আরব আমিরশাহীতে ২ টি জাহাজ সংস্থার ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের