Arab-Nato (Photo Credit: X)

দিল্লি, ১৬ সেপ্টেম্বর: ন্যাটোর (NATO) মত করে একটি সেনা বাহিনী গঠন করতে চাইছে আরব বিশ্ব (Arab NATO)। আরবের সঙ্গে অন্য ইসলামিক দেশগুলি হাত মিলিয়ে এই আরব মিলিটারি ফোর্স গঠন করতে চাইছে। এমন খবর বেশ কিছুদিন ধরেই আন্তর্জাতিক বিশ্বে ছড়িয়ে পড়েছে। আর এবার সেই জল্পনায় ঘৃতাহুতি দিল কাতারের (Qatar) দোহায় (Doha) আইডিএফের হামলা।

হামাস নেতাদের খোঁজে গত সপ্তাহে কাতারের দোহায় হামলা চালায় ইজরায়েল (Israel)। ওই ঘটনার পর ইজরায়েলের বিরুদ্ধে যখন আরব দেশগুলির ক্ষোভ সামনে আসছে,  সেই সময় দোহায় পৌঁছে যান অনেকে। ইজরায়েলের হামলার পর দোহায় ছুটে যান আরব (Arab-Islamic Nato) বিশ্বের একাধিক প্রতিনিধি।

এরপরই শুরু হয় আরব মিলিটারি ফোর্স গঠনের সম্ভাবনা। আরব ন্যাটো গঠনের প্রস্তাব দেওয়া হয় ইজিপ্টের তরফে। যেখানে আরব দেশগুলির সবচেয়ে বড় সেনা বাহিনীর প্রতিনিধিরা হাজির হন দোহায়। আর সেখানেই শুরু হয় আরব ন্যাটো নিয়ে আলোচনা। এই আরব ন্যাটোর বৈঠকে হাজির হয় পাকিস্তান এবং তুর্কীও।

আরও পড়ুন: Israel Warns Yemen: 'আমরা আসছি, বন্দর ছাড়ুন', ইয়েমেনে হামলার সরাসরি হুমকি ইজরায়েলের

প্রসঙ্গত বিশ্বের সমস্ত মুসলিম দেশগুলির মধ্যে পাকিস্তানই একমাত্র প্রতিনিধি, যারা পরমাণু শক্তিধর। ফলে দোহায় আরব ন্যাটোর বৈঠকে হাজির হয়ে পাকিস্তানের পরিকল্পনা ঠিক কী, তা নিয়ে চর্চা শুরু হয়েছে। তবে ইজরায়েলের উপর নজর রাখার প্রস্তাব দেওয়া হয় পাকিস্তানের তরফে।

অন্যদিকে তুর্কীর প্রেসিডেন্ট এরদোগান প্রস্তাব দেন যাতে ইজরায়েলের উপর অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা চাপানো হয়, সে বিষয়ে।

ইরাকি প্রধানমন্ত্রী মহম্মদ আল সুদানিও আরব ন্যাটোর হয়ে সওয়াল করেন। আরব মিলিটারি ফোর্স যাতে পুরোদমে ইসলামিক দেশগুলিকে সুরক্ষিত করতে পারে, সে বিষয়ে সওয়াল করেন ইরাকের প্রধানমন্ত্রী।

ইজরায়েল যেভাবে দোহায় হামলা চালায়, তার জেরেই এই আরব ন্যাটো তৈরির সম্ভাবনা আরও বেড়ে যাচ্ছে।