WBCHSE Exam Dates Announced: করোনার জেরে স্থগিত উচ্চমাধ্যমিকের ৩ পরীক্ষার দিনক্ষণ ঘোষণা করলেন পার্থ  চ্যাটার্জি, জেনে নিন সম্ভাব্য তারিখ
শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চ্যাটার্জি (Photo Credits: ANI)

কলকাতা, ২০ মে: মহামারী করোনার সংক্রমণ রুখতে রাজ্যে উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষা (WBCHSE) স্থগিত করা হয়েছিল। বাকি থাকা তিন পরীক্ষার দিনক্ষণ ঘোষণা করলেন রাজ্য়ের শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চ্যাটার্জি। মঙ্গলবার পার্থবাবু জানিয়েছেন, পরিস্থিতি ঠিক থাকলে উচ্চমাধ্যমিকের বাকি তিনটি পরীক্ষা হবে ২৯ জুন, ২ ও ৬ জুলাই। তবে এই তিনটি তারিখই সম্ভাব্য। এখনও কিছুই চূড়ান্ত নয়। চূড়ান্ত হলে তা ঘোষণা করা হবে। করোনা সতর্কতায় মার্চের মাঝামাঝি সময় থেকেই স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়ে পঠনপাঠন বন্ধ হয়ে যায় রাজ্যে। তারপর ধাপে ধাপে একের পর এক সিদ্ধান্ত নেয় রাজ্যের শিক্ষা দপ্তর। ইতিমধ্যেই জয়েন্ট এন্ট্রান্স ও নিট পরীক্ষার তারিখ ঘোষিত হয়েছে। ফলে উচ্চমাধ্যমিক তথা হায়ার সেকেন্ডারি স্তরের পরীক্ষা শেষ করার বাধ্যবাধকতাও রয়েছে।

শিক্ষামহলের অনেকের মতে, ছাত্রছাত্রীদের মানসিক প্রস্তুতির জন্যই সম্ভাব্য তারিখের কথা ঘোষণা করেছেন শিক্ষামন্ত্রী। তবে সবটাই পরিস্থিতির উপর নির্ভর করছে। এদিকে প্রথম দফায় পার্থবাবু ঘোষণা করেন, প্রথম শ্রেণি থেকে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত সবাই পাশ। অর্থাৎ এবছর যারা ক্লাস ওয়ানে পড়ছে পরের শিক্ষাবর্ষে তারা এমনিই দ্বিতীয় শ্রেণিতে উত্তীর্ণ হবে। ক্লাস এইটের ছেলেমেয়েরা উঠবে নাইনে। তারপর একাদশ শ্রেণি নিয়েও সিদ্ধান্ত জানায় রাজ্য। বলা হয়, একাদশ শ্রেণির সবাইকে পাশ করিয়ে দেওয়া হবে। উচ্চমাধ্যমিকের মতো একাদশ শ্রেণিরও পরীক্ষা অসম্পূর্ণ ছিল। মাধ্যমিকের খাতা দেখার বিষয়েও কয়েকদিন আগে সরকারি সিদ্ধান্ত জানান শিক্ষামন্ত্রী। তিনি বলেন, মাধ্যমিকের খাতা দেখা শেষ হয়েছে। লকডাউন উঠলেই ফলপ্রকাশ করা হবে। যদিও তারপর চতুর্থ দফার লকডাউন ঘোষিত হয়েছে সারা দেশে। চলবে ৩১ মে পর্যন্ত। তারপর ভর্তি প্রক্রিয়া। আরও পড়ুন-Cyclone Amphan Update: আম্ফান ঘূর্ণিঝড়ের দাপটে কাঁপছে ভদ্রক পারাদ্বীপ, ঝড় বৃষ্টিতে ভাসছে সমগ্র ওড়িশা

যদিও পরীক্ষার দিনক্ষণ নিয়ে এখনও মুখ খুলছে না পশ্চিমবঙ্গ উচ্চমাধ্যমিক বোর্ডের কর্তারা। তাঁদের দাবি, উচ্চমাধ্যমিকের বাকি থাকা পরীক্ষাগুলি কবে হবে এনিয়ে সরকারি তরফে বোর্ডকে কিছুই জানানো হয়নি। তেমন বিজ্ঞপ্তি এলে নিশ্চই জানানো হবে। জানা গিয়েছে, পরীক্ষাকেন্দ্র ৮০ থেকে ১০০ জনের বেশি পরীক্ষার্থী থাকবে না। তিনটি পরীক্ষার জন্য প্রায় আড়াই হাজার পরীক্ষাকেন্দ্রের বন্দোবস্ত হবে। প্রতিদিন ২ লক্ষেরও বেশি পড়ুয়া পরীক্ষায় বসবে।