SSC Protest. File Photo. (ছবিঃFacebook)

SSC Recruitment List: সুপ্রিম কোর্টের রায় অনুযায়ী অযোগ্য প্রার্থীদের নামের তালিকা প্রকাশ করল স্কুল সার্ভিস কমিশন (SSC)। আদালতের নির্দেশ ছিল, যে সমস্ত অযোগ্য প্রার্থী পুনরায় পরীক্ষায় বসতে আবেদন করেছেন, তাঁদের অ্যাডমিট কার্ড বাতিল করে নামের তালিকা সাত দিনের মধ্যে প্রকাশ করতে হবে। সেই অনুযায়ী শনিবার সন্ধ্যায় তালিকা প্রকাশ করে এসএসসি। কমিশনের প্রকাশিত এই তালিকায় রয়েছেন ১৮০৪ জন। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে ওইসব 'দাগি'-দের তালিকা প্রকাশ করল কমিশন।জানা গিয়েছে, তালিকা প্রকাশের আগে কমিশনের উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা একাধিক বৈঠক করেছেন। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন এসএসসি চেয়ারম্যান সিদ্ধার্থ মজুমদারও।

কী নির্দেশ ছিল সুপ্রিম কোর্টের

সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী আগামী ৭ ও ১৪ সেপ্টেম্বর শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা নেওয়া হবে। তার আগে এই তালিকা প্রকাশকে তাৎপর্যপূর্ণ পদক্ষেপ বলে মনে করছে কমিশন। দ্বিতীয় দফায় প্রকাশিত এই তালিকায় স্পষ্ট জানানো হয়েছে, অযোগ্য প্রার্থীরা আর পরীক্ষায় অংশ নিতে পারবেন না। আদালতের নির্দেশ ছিল, অযোগ্য প্রার্থীদের নামের পূর্ণাঙ্গ তালিকা প্রকাশ করতে হবে, যাতে তাঁরা পুনরায় পরীক্ষায় বসতে না পারেন। সেই নির্দেশ মেনেই এই পদক্ষেপ করেছে এসএসসি।

দেখুন খবরটি

আগে বলা হয়েছিল ১৯০০ জন 'দাগি'-র নাম প্রকাশ করা হবে

উল্লেখযোগ্যভাবে, শুক্রবার শিক্ষক নিয়োগ সংক্রান্ত মামলার শুনানি হয়েছিল বিচারপতি সঞ্জয়কুমার শর্মা ও বিচারপতি সতীশচন্দ্র শর্মার বেঞ্চে। সেখানে এসএসসি-র আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, ২০১৬ সালের নিয়োগ প্যানেলে থাকা প্রায় ১,৯০০ জন 'দাগি'র নাম প্রকাশ করা হবে। যদিও শনিবার প্রকাশিত তালিকায় নাম এসেছে ১,৮০৪ জনের। এই তালিকার সঙ্গে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে তালিকাটিকে ‘প্রথম তালিকা’ বলে উল্লেখ করায় ভবিষ্যতে আরও নাম প্রকাশিত হতে পারে বলে জল্পনা তৈরি হয়েছে। তবে এসএসসি এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানায়নি।

কী বলছে এসএসসি ও বিরোধীরা

অন্যদিকে, আদালত স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছে কোনও অযোগ্য প্রার্থী যাতে নিয়োগ প্রক্রিয়ায় সুযোগ না পায়, তা নিশ্চিত করতে হবে। এসএসসি জানিয়েছে, "অনলাইন আবেদন নেওয়ার সময় বাছাই করা সম্ভব হয়নি। তবে আবেদন যাচাইয়ের পর দাগিদের বাদ দিয়ে অ্যাডমিট কার্ড বাতিলের প্রক্রিয়া চলছে।" রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী এই তালিকাকে ভোগাস বলে আখ্যা দিয়েছেন। নন্দীগ্রামের বিজেপি বিধায়কের অভিযোগ, “এই তালিকা একেবারেই ভোগাস। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ইচ্ছাকৃতভাবে নিয়োগ-সংক্রান্ত জটিলতা চালিয়ে যেতে চাইছেন।”