মঙ্গলবার মিরিক যাওয়ার কথা ছিল মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। কিন্তু সূত্রের খবর, শেষ মুহূর্তে তাঁর এই সফরসূচিতে বদল হয়েছে। আজ তিনি মিরিক যাচ্ছেন না। কার্শিয়ংয়ের জোড়বাংলোয় বিডিও অফিসে পর্যালোচনা বৈঠক করার কথা ছিল তাতেও বদল এসেছে। বিপর্যস্ত উত্তরবঙ্গ পরিদর্শন, পুনর্গঠনের কাজ খতিয়ে দেখতে বেশ কয়েকদিনের জন্য তিনি সেখানে গিয়েছেন। সোমবার দিনভর নাগরাকাটা এলাকার বিভিন্ন ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা, ত্রাণশিবির পরিদর্শন করেছেন। তারপর রাতে চলে গিয়েছেন কার্শিয়ং। সূত্রের খবর, মঙ্গলবার রাতেই তিনি রওনা দিতে পারেন দার্জিলিং। সেখানকার রিচমন্ড হিলে দুই জেলার প্রশাসনিক বৈঠক করার কথা মুখ্যমন্ত্রীর। সেখানে জিটিএ-র কাছ থেকে ক্ষয়ক্ষতি সংক্রান্ত রিপোর্ট নিতে পারেন।তবে তাঁর আগে মিরিকের সুখিয়াপোখরির বিডিও কার্যালয়ে বন্যা পরিস্থিতির পর্যালোচনা সভায় যোগ দেন তিনি।
৪ এবং ৫ অক্টোবর অতিবৃষ্টির ফলে উত্তরবঙ্গে বন্যা ও ভূমিধসে ক্ষতিগ্রস্ত জেলাগুলিতে স্বাভাবিক পরিস্থিতি ফিরিয়ে আনার লক্ষ্যে সর্বক্ষণ ত্রাণ ও পুনরুদ্ধারের কাজ করে চলেছে পশ্চিমবঙ্গ সরকার। মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে সম্পূর্ণ পরিস্থিতি তদারকি করছেন। দুর্যোগের পর এই… pic.twitter.com/k5lxehjpDl
— Egiye Bangla (@egiye_bangla) October 14, 2025
সোমবার দিনভর তিনি নাগরাকাটার একাধিক বিপর্যস্ত সেতু, রাস্তা, নদীবাঁধের পরিস্থিতি খতিয়ে দেখেন। ত্রাণ শিবিরে গিয়ে আশ্রয় নেওয়া মানুষজনের সঙ্গে কথা বলার পাশাপাশি মৃতদের পরিবারগুলিকে আর্থিক সাহায্য ও সদস্যদের চাকরির নিয়োগপত্র তুলে দেন। রাতে তিনি কার্শিয়ং চলে যান। নিজের সফরসূচি সম্পর্কে মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছিলেন, মঙ্গলবার কার্শিয়ং থেকে ঘুম হয়ে মিরিক যাবেন।কিন্তু শেষমুহুর্তে বদল হয় তাঁর সূচী। আজ সকালে সুখিয়াপোখরির ভূমিধসে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করে সুখিয়াপোখরির বিডিও কার্যালয়ে বন্যা পরিস্থিতির পর্যালোচনা সভায় যোগ দিয়েছেন তিনি।
সুখিয়াপোখরির বিডিও কার্যালয়ে বন্যা পরিস্থিতির পর্যালোচনা সভায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়