কসবায় ল’ কলেজে ধর্ষণের ঘটনার পর আইআইএম জোকাতেও (IIM Rape Case) ঘটল একই ঘটনা। এক তরুণীকে ধর্ষণের ঘটনায় গ্রেফতার কলেজের দ্বিতীয় বর্ষের এক ছাত্র। এই ঘটনা নিয়ে যখন শনিবার সকাল থেকেই তোলপাড় রাজ্য রাজনীতি, তখন অন্যদিকে নির্যাতিতার বাবার দাবি, তাঁর মেয়েকে কেউ ধর্ষণ করেনি। শারীরিক নির্যাতন করেছে অভিযুক্ত। তবে পুলিশের চাপে অভিযোগপত্রে ধর্ষণ লিখতে বাধ্য হয়েছেন নির্যাতিতা। এই ঘটনা নিয়ে আলাদাই রাজনীতি শুরু হয়েছে বাংলায়। এই অবস্থায় শনিবার ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অফ ম্যানেজমেন্ট কলকাতার পক্ষ প্রকাশ করা হল বিবৃতি।

ধর্ষণের ঘটনা নিয়ে কী বলছে কলেজ কর্তৃপক্ষ?

এই ঘটনা নিয়ে তাঁরা তাঁদের মতামত প্রকাশ না করলেও কলেজ কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন তাঁরা পুলিশকে সবরকম সহযোগিতা করবে। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এই ঘটনা নিয়ে কলেজ কর্তৃপক্ষ সম্পূর্ণ অবগত। পুলিশ ইতিমধ্যেই অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে। নির্যাতিতা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সদস্য নন। কলেজ কর্তৃপক্ষ গোটা বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করছে। বর্তমানে যাঁরা তদন্ত পরিচালনা করছে, তাঁদের সবরকমভাবে সহযোগিতা করা হচ্ছে। এই বিষয় নিয়ে কলেজ কর্তৃপক্ষ সততার সঙ্গেই রয়েছেন।

দেখুন পোস্ট

নির্যাতিতার বাবার বিতর্কিত দাবি

প্রসঙ্গত, শনিবার সকালে আইআইএম জোকার দ্বিতীয় বর্ষের এক যুবককে গ্রেফতার করে হরিদেবপুর থানার পুলিশ। তাঁর বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের হয় কাউন্সিলিংয়ের নামে এক তরুণীকে কলেজ হস্টেলে নিয়ে এসে মাদক মেশানো থাবার খাইয়ে বেহুঁশ করে ধর্ষণ করে অভিযুক্ত। যদিও এদিন বিকেলে নির্যাতিতার বাবা এই অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছে। তাঁর মন্তব্যে পর পুলিশি তদন্ত নিয়ে সংশয় প্রকাশ করছেন অনেকে।