Suvendu  Adhikari: ‘আলাপন ইস্যুতে মুখ্যমন্ত্রীর দপ্তর ও দেশের সংবিধানকে অসম্মান করেছেন মমতা’, শুভেন্দু অধিকারী
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বনাম শুভেন্দু অধিকারী (Picture Credits: Facebook)

কলকাতা, ১ জুন: “নিজের অহং বোধের জন্য ও মুখ্যসচিবকে বাঁচাতে মুখ্যমন্ত্রীর দপ্তর ও ভারতের সংবিধানকে অসম্মান করেছেন দিদি। প্রাক্তন মুখ্যসচিব কী সিক্রেট জানেন, যার জন্য তাঁকে বাঁচাতে এত মরিয়া হয়ে উঠেছেন মুখ্যমন্ত্রী? সার্ভিস রুল লঙ্ঘন, শৃঙ্খলাভঙ্গের জন্য প্রাক্তন মুখ্যসচিবের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ করার দাবি জানাচ্ছি৷” একদিন আগে মুখ্য সচিবের পদ থেকে অবসর নিয়ে প্রধানমন্ত্রীকে যোগ্য জবাব দিয়েছেন আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায়৷ সবমিলিয়ে ফের মমতার সরকারের সামনে মুখ পুড়েছে কেন্দ্রের মোদি সরকারের৷ বিধানসভা নির্বাচনে হেরে যাওয়ার পাল্টা হিসেবে কোনও ভাবেই পশ্চিমবঙ্গকে জব্দ করতে পারছেন না নরেন্দ্র মোদি৷ এবার তাঁরই বার্তা বাহক হয়ে টুইটারে সোচ্চার হলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা তথা বিজেপি বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)৷

কেন্দ্র রাজ্য সংঘাতের মাঝে পড়ে মুখ্যসচিবকে নিয়ে যেন টানাটানি না করা হয়, এই মর্মে মিনতি করতে দ্বিধা করেননি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়৷ তিনি এহেন নোংরা খেলা বন্ধ করার জন্য প্রধানমন্ত্রীর পায়ে ধরতেও রাজি ছিলেন৷ তবে রাজ্যের এই অনুনয় বিনয়ে কর্ণপাত করেনি নর্থ ব্লক৷ উল্টে আলাপনবাবুর বিরুদ্ধে শোকজ নোটিস পাঠিয়েছে৷ যদিও আগেভাগেই পদ থেকে অবসর নিয়ে জল্পনায় জল ঢেলে দিয়েছেন আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায়৷ ফের একবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে হেঁরে দ্বিগুণ গোঁসা হয়েছে কেন্দ্রের৷ তাই অবসরের পরেও রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যসচিবের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করল দিল্লি৷ তিনদিনের মধ্যে দিতে হবে জবাব৷ এমনকী কেন্দ্র আলাপনবাবুকে এই মর্মে চার্জশিটও দিতে পারে বল খবর৷ এদিকে অবসরের পরেই মুখ্যমন্ত্রী মুখ্য উপদেষ্টা পদে নিযুক্ত হয়েছেন তিনি৷ আগামী তিন বছর এই পদে বহাল থাকবেন৷ আর তাতেই রাজ্য বিজেপির মুখভার৷ আরও পড়ুন-PIB Fact Check: পোলট্রির মুরগী থেকে মানুষের শরীরে বাসা বাঁধছে ব্ল্যাক ফাঙ্গাস! কী বলল PIB?

শুধু কটাক্ষ নয়, একেবারে প্রাক্তন মুখ্যসচিবকে টুইটারে আক্রমণ করে বসলেন শুভেন্দু অধিকারী৷ আলাপনবাবুর নতুন পদ ও বেতন নিয়ে তোপ দাগলেন তিনি৷ বললেন, “করদাতাদের টাকা লুট করা তৃণমূলের শখ। প্রাক্তন মুখ্যসচিব এখন মুখ্যমন্ত্রীর মুখ্য উপদেষ্টা,যিনি মাসে আড়াই লাখ টাকা বেতন পাবেন। করদাতাদের কষ্ট করে উপার্জন করা টাকা ব্যয় করার আরও উপায় আছে৷”