WB Assembly Election 2021: অমিত শাহকে নন্দীগ্রামে জিতলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী করে দেবেন, চ্যালেঞ্জ মমতার
মমতা ব্যানার্জি ও অমিত শাহ (Photo Credits: PTI)

কলকাতা, ১২ ফেব্রুয়ারি: ‘নন্দীগ্রামে লড়াই করুন। জিতে গেলে বাংলার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী করে দেব।’ ভবানীপুর আসনে দিদি জিততে পারবেন না, তাই ভয়ে পেয়ে দুটি আসনে লড়বেন। কোচবিহারের জনসভা থেকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহর করা কটাক্ষের জবাব দিলেন তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (WB Assembly Election 2021)। গতকাল অমিত শাহ বলেছেন, “২০১৮ সালে আমি বলেছিলাম, উনিশের ভোটে আমরা ২০টা আসন পাব। দিদি বলেছিলেন, আমরা আন্ডা পাব। কিন্তু আমরা আন্ডা পাইনি। বাংলার মানুষ আমাদের ১৮টি আসন দিয়েছেন। আর দিদি ভয় পেয়ে গিয়েছেন। তাই এখন সিট খুঁজছেন। একটা আসনে দাঁড়ানোর সাহস না করে দু’টো আসনে দাঁড়াতে চাইছেন।’’ এরই জবাব দিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আরও পড়ুন-Nabanna Avijan: বাম ছাত্র যুব সংগঠনের নবান্ন অভিযান ঘিরে রণক্ষেত্র ডোরিনা ক্রসিং

বিধানসভা ভোটের পর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে জয় শ্রীরাম বলবেন। বৃহস্পতিবার কোচবিহারের জনসভা থেকে এভাবেই বাংলার মুখ্যমন্ত্রীর দিকে কটাক্ষ ছুঁড়ে দেন অমিত শাহ। এখানেই থামেননি তিনি, বলছেন, বিজেপি আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে ২০০টি আসন পাবে। যতই তৃণমূলের বিরুদ্ধে ক্ষোভ থাকুক না কেন অমিত শাহর বক্তব্যে বার বার মমতা বিরোধী মনোভাব স্পষ্ট। নন্দীগ্রামের তৃণমূল বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারী দল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পরে পরেই সেই মাটিতে দাঁড়িয়ে ভোটে লড়ার ইচ্ছে প্রকাশ করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। এদিন তানিয়েই কটাক্ষ করেন অমিত শাহ। তবে মুখ্যমন্ত্রীর জবাবের উত্তরে অমিত শাহ বলেন, ‘‘আমি নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি। আমার ভোটে লড়ার প্রয়োজন নেই।’’ প্রসঙ্গত, ১৯৯৭ থেকে ২০১২ পর্যন্ত ৫ বার গুজরাত বিধানসভার ভোটে জিতেছিলেন অমিত। ২০১৯-এর লোকসভা ভোটে গাঁধীনগর কেন্দ্র থেকে জিতে তিনি কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হন।

তবে যতই মমতার বিরুদ্ধে আক্রমণ শানান না কেন মুখে কিন্তু সেসব বলতে নারাজ অমিত শাহ। তাই নন্দীগ্রামে প্রার্থী প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “কোনও ব্যক্তি নয়। আমাদের লড়াই তৃণমূলের বিরুদ্ধে। আমরা তৃণমূলের সব প্রার্থীকেই হারাতে চাই।” তাঁর বক্তব্যের প্রতিধ্বনি শোনা গেল শুভেন্দু অধিকারীর মুখে। তিনি বলেন, “কোনও বিখ্যাত প্রার্থীর দরকার নেই, নন্দীগ্রামে মমতাকে হারাতে ‘ধর্ষিতা’ রমণী রাধারানি আড়িই যথেষ্ট।”