Bus Driver wearing Helmet (Photo Credit: X@ANI)

নতুন শ্রম কোড বাতিল, দৈনিক ৬০০ টাকা মজুরি ইত্যাদির দাবিতে দেশজুড়ে সাধারণ ধর্মঘটের ডাক দিয়েছে সিআইটিইউ সহ ১০টি কেন্দ্রীয় শ্রমিক সংগঠন ও শিল্পভিত্তিক ফেডারেশন। 'ভারত বনধ' সত্ত্বেও দক্ষিণ কলকাতার যাদবপুরে বেসরকারি ও রাষ্ট্রায়ত্ত বাস চলাচলের কারণে যাদবপুর ৮বি বাস স্ট্যান্ডের কাছে বিপুল সংখ্যক পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। সকাল থেকেই বনধের সমর্থনে মিছিল করতে দেখা বাম কর্মী সমর্থকদের। কোনরকম অপ্রীতিকর অবস্থা থেকে বাঁচতে  এবং নিজেদের সুরক্ষার জন্য হেলমেট পরে বাস চালাচ্ছেন বাস চালকরা।

একজন বাস চালক বলেছেন, "আমাদের তো নিজেদের কাজ করতে হবে। আমরা শ্রমিক, তাই আমরা ('বনধ'-কে) সমর্থন করি। কিন্তু নিজেদের সুরক্ষার জন্য আমরা হেলমেট পরেছি।"

একই ছবি দেখা গেল কোচবিহারেও। কোচবিহারের বাজার হাট এবং বিভিন্ন দোকানপাট বন্ধ। চলছে না বেসরকারি পরিবহণ। তবে পথে নামতে দেখা গেল উত্তরবঙ্গ রাষ্ট্রীয় পরিবহণ সংস্থার বাস।

কেন্দ্রীয় সরকারের নীতির বিরুদ্ধে ১০টি কেন্দ্রীয় ট্রেড ইউনিয়ন 'ভারত বনধ' ডাকায় সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে শিলিগুড়িতে উত্তরবঙ্গ রাষ্ট্রীয় পরিবহণ সংস্থার বাস চালকরা হেলমেট পরেছেন। বনধ সমর্থন করলেও নিজেদের সুরক্ষার্থে হেলমেট পড়ে বাস চালাতে দেখা যায় তাঁদের।

নিজেদের সুরক্ষায় মাথায় হেলমেট পড়লেন উত্তরবঙ্গ পরিবহণের  বাস চালকরা 

বনধের সমর্থনে মিছিল বার হয় সকালেই। পাল্টা বনধ-বিরোধী মিছিলও চোখে পড়ে উত্তরবঙ্গে। উত্তরবঙ্গ রাষ্ট্রীয় পরিবহণ সংস্থার ডিপোর সামনে সকাল থেকে জড়ো হন ধর্মঘটের সমর্থকরা। একাধিক সরকারি বাস আটকানোর চেষ্টা করায় পুলিশের সঙ্গে দফায় দফায় বচসা বাধে। ডিপোর সামনে পতাকা নিয়ে জড়ো হন তৃণমূলের শ্রমিক সংগঠন INTTUC-র সদস্যরাও। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠার আগেই বন্‍ধ সমর্থকদের গ্রেফতার করে পুলিশ।এখনও পর্যন্ত ১৪ জন বন্‍ধ সমর্থককে পুলিশ গ্রেফতার করেছে।