Prenelan Subrayen Bowling Action: দক্ষিণ আফ্রিকার অলরাউন্ডার প্রেনেলান সুব্রায়েন (Prenelan Subrayen)-কে মঙ্গলবার ক্যার্নসে অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে প্রথম ওয়ানডে ম্যাচের পরে সন্দেহজনক বোলিং অ্যাকশনের জন্য রিপোর্ট করা হয়েছে। প্রথম ম্যাচে এই অফস্পিনার তার দশ ওভারে ১ উইকেট নেন ৪৬ রানে দিয়ে। তিনি অজি ওপেনার ট্রাভিস হেডকে (Travis Head) আউট করে দক্ষিণ আফ্রিকাকে ৯৮ রানের জয়ে সাহায্য করেন। জিম্বাবয়ে বিরুদ্ধে বুলাওয়েতে তার প্রথম টেস্ট ক্যাপ অর্জনের প্রায় দুই মাস পরে ৩১ বছরের সুব্রায়েনের ওয়ানডেতে অভিষেক হয়। কিন্তু স্বপ্ন পুরনে এখন মেঘের ছায়া। সুব্রায়েনকে এখন ১৪ দিনের মধ্যে আইসিসি-অনুমোদিত কোনও এক সেন্টারে তার বোলিংয়ের পরীক্ষা দিতে হতে পারে। ESPNCricinfo-এর রিপোর্ট বলছে, তিনি ব্রিসবেনে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার জাতীয় ক্রিকেট সেন্টারে যেতে পারেন। AUS vs SA ODI Series 2025: কেশবের মহারাজকীয় স্পেলে অস্ট্রেলিয়ায় রাজকীয় জয় দক্ষিণ আফ্রিকার
সন্দেহজনক বোলিং অ্যাকশনের অভিযোগে অভিযুক্ত প্রেনেলান সুব্রায়েন
South Africa offspinner Prenelan Subrayen has been reported for a suspect bowling action during his ODI debut against Australia on Tuesday in Cairns
Full story: https://t.co/tFYpdOTz9p pic.twitter.com/KuvHuyevx2
— ESPNcricinfo (@ESPNcricinfo) August 20, 2025
এখানে উল্লেখ্য, সেখানেই অস্ট্রেলিয়ার বাঁহাতি স্পিনার ম্যাথিউ কুহনেম্যান (Matthew Kuhnemann) এই বছর বোলিং অ্যাকশনের পরীক্ষা দেন। আসলে, বোলারদের পিচে বল ছুড়তে ১৫ ডিগ্রি অ্যাঙ্গেলের অনুমতি দেওয়া হয় এবং এর হেরফের হলেই বোলিং নিয়ে অভিযোগ জমা দেওয়া হয়। দক্ষিণ আফ্রিকার এই স্পিনারের ক্ষেত্রে পরীক্ষার ফলাফল না আসা পর্যন্ত তিনি ম্যাচে বোলিং চালিয়ে যেতে পারবেন। তবে দক্ষিণ আফ্রিকার কোচ শুকরি কনরাড (Shukri Conrad) বৃহস্পতিবার বলেছেন যে দল সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে সুব্রায়েনের পরীক্ষা প্রক্রিয়া শেষ না হওয়া পর্যন্ত তিনি খেলবেন না।
তবে এটা প্রথমবার নয় যে সুব্রায়েনকে তদন্তের মুখোমুখি হতে হয়েছে। ২০১২ সালের ডিসেম্বরে ক্রিকেট দক্ষিণ আফ্রিক তাকে দুটি বোলিং অ্যাকশনের জন্য রিহ্যাবে পাঠায়। তিনি ২০১৩ সালের জানুয়ারিতে রিহ্যাব শেষ করেন এবং পরীক্ষার পর আবার বোলিংয়ের অনুমতি পান। এরপর সুব্রায়েনের বিপক্ষে ২০১৪ সালের সেপ্টেম্বরে চ্যাম্পিয়ন্স লিগ টি২০ টুর্নামেন্ট চলাকালীন রিপোর্টে আসে। আবার ২০১৫ সালের নভেম্বরেও একটি স্থানীয় টি২০ ম্যাচে তার বোলিং প্রশ্নের মুখে পড়ে এবং তার বোলিংয়ে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়। তাঁর সব ডেলিভারি ১৫ ডিগ্রি সীমা ছাড়িয়ে যাওয়ায় তিনি ২০১৬ সালে আবার রিহ্যাবে যান এবং অবশেষে ২০১৬ সালের মার্চে সিএসএর হাই পারফরম্যান্স সেন্টারে আবার বোলিং করার অনুমতি পান।