Woman Found Floating Alive At Sea: ২ বছর নিখোঁজ! মাঝ সমুদ্রে অচৈতন্য অবস্থায় উদ্ধার মহিলা, দেখুন ভাইরাল ভিডিও

মিরাকেল বললেও তো হয়তো কম বলা হবে! অ্যাঞ্জেলিকা গাইতানের ( Angelica Gaitan) গল্প শুনলে চমকে যাবেন। ২ বছর আগে নিখোঁজ হন অ্যাঞ্জেলিকা, ২৬ সেপ্টেম্বর ভোর ৬টা নাগাদ সমুদ্রে ভাসমান অবস্থায় উদ্ধার হন তিনি। কলম্বিয়ায় সমুদ্র উপকূল থেকে অ্যাঞ্জেলিকাকে উদ্ধার করেন মৎস্যজীবী রোলান্ডো ভিসবাল এবং তাঁর বন্ধুরা। সোশ্যাল মিডিয়ায় অ্যাঞ্জেলিকাকে উদ্ধার করার ভিডিও ভাইরাল। নিউ ইয়র্ক পোস্টের খবর অনুযায়ী, উদ্ধারকারীরা অর্থাৎ মৎস্যজীবীরা প্রাথমিকভাবে অ্যাঞ্জেলিকাকে চিনতে পারেন নি। কাঠের পাটাতন জলে ভাসছে বলে এড়িয়ে যাচ্ছিলেন কিন্তু আচমকাই তাদের চোখে পড়ে একজনের হাত। একটি টিউব দু’হাতে জড়িয়ে জলে ভাসছেন এক মহিলা। তৎক্ষণাৎ মৎস্যজীবীরা ঘটনাস্থলে গিয়ে উদ্ধার করেন গাইতানকে। ৮ ঘণ্টারও বেশি জলের মধ্যে ভাসমান অবস্থায় থাকার জেরে হাইপোথার্মিয়াতে ভুগছিলেন গাইতান।

Woman Found Floating Alive At Sea: ২ বছর নিখোঁজ! মাঝ সমুদ্রে অচৈতন্য অবস্থায় উদ্ধার মহিলা, দেখুন ভাইরাল ভিডিও
Colombian woman rescued after found floating on sea (Photo Credits: Rolando Visbal Lux Facebook)

মিরাকেল বললেও তো হয়তো কম বলা হবে! অ্যাঞ্জেলিকা গাইতানের ( Angelica Gaitan) গল্প শুনলে চমকে যাবেন। ২ বছর আগে নিখোঁজ হন অ্যাঞ্জেলিকা, ২৬ সেপ্টেম্বর ভোর ৬টা নাগাদ সমুদ্রে ভাসমান অবস্থায় উদ্ধার হন তিনি। কলম্বিয়ায় সমুদ্র উপকূল থেকে অ্যাঞ্জেলিকাকে উদ্ধার করেন মৎস্যজীবী রোলান্ডো ভিসবাল এবং তাঁর বন্ধুরা। সোশ্যাল মিডিয়ায় অ্যাঞ্জেলিকাকে উদ্ধার করার ভিডিও ভাইরাল। নিউ ইয়র্ক পোস্টের খবর অনুযায়ী, উদ্ধারকারীরা অর্থাৎ মৎস্যজীবীরা প্রাথমিকভাবে অ্যাঞ্জেলিকাকে চিনতে পারেন নি। কাঠের পাটাতন জলে ভাসছে বলে এড়িয়ে যাচ্ছিলেন কিন্তু আচমকাই তাদের চোখে পড়ে একজনের হাত। একটি টিউব দু’হাতে জড়িয়ে জলে ভাসছেন এক মহিলা। তৎক্ষণাৎ মৎস্যজীবীরা ঘটনাস্থলে গিয়ে উদ্ধার করেন গাইতানকে। ৮ ঘণ্টারও বেশি জলের মধ্যে ভাসমান অবস্থায় থাকার জেরে হাইপোথার্মিয়াতে ভুগছিলেন গাইতান।

'আমি আবার জন্ম নিলাম। হয়তো ভগবানও চান না আমি মারা যাই।' উদ্ধার হওয়ার পর অ্যাঞ্জেলিকার মুখ ফুটে প্রথমে বেরোয় এই শব্দটাই। সমুদ্রের তীরে সকলেই সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেন গাইতানের প্রতি, এরপর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় তাঁকে। গাইতানকে চিহ্নিত করার পর পুরনো তথ্য প্রকাশ্যে আসে। আরসিএন রেডিও-কে সাক্ষাৎকার দেওয়ার সময় গাইতান জানান, গার্হস্থ্য হিংসার থেকে মুক্তি পেতে ২০১৮ সালে তিনি সংসার ছেড়ে পালিয়ে যান। তিনি বলেন, "২০ বছরেরও বেশি সময় এই ভয়ঙ্কর একটি সম্পর্কের মধ্যে আমি ছিলাম। প্রথমবার যখন গর্ভবতী হলাম, তখন থেকেই আমার প্রাক্তন স্বামী আমার উপর অত্যাচার শুরু করে। শুধু মারধরই নয়, অকথ্য ভাষায় রীতিমত গালিগালাজ করত। ফের যখন আমি গর্ভবতী হয়ে পড়লাম। তখন অত্যাচার আরও বাড়ল কিন্তু আমার দু'ই ছেলেমেয়েই এত ছোট ছিল যে আমি বাড়ি ছেড়ে যাওয়ার কথা ভাবতে পারিনি।"

পুলিশে অভিযোগ জানিয়েও লাভ হয়নি, কারণ ২৪ ঘণ্টার জন্য গারদে বন্দি থাকার পর বাড়ি ফিরে আবারও শুরু হয় অত্যাচার বলে দাবি গাইতানের। ২০১৮-র সেপ্টেম্বরে তীব্র অত্যাচার শুরু করে গাইতানের স্বামী, এমনকী তাকে খুনের চেষ্টা করা বলে জানান তিনি। এরপরই বাড়ি ছেড়ে পালিয়ে যান গাইতান, এরপর রাস্তাতেই এদিক ঘুরে ফিরে ৬ মাস কাটিয়ে দিয়েছিলেন তিনি; অবশেষে একটি শেল্টার হোমে থাকার জায়গা পান তিনি। "আমি বেঁচে থাকতে চাইনি। সবকিছু শেষ করে দিতে চেয়েছিলাম। আমার নিজের পরিবারের সঙ্গে কোনও যোগাযোগ ছিল না। এমনকী, স্বামীর অত্যাচারে সোশ্যাল মিডিয়াতেও কারওর সঙ্গে কোনও যোগাযোগ ছিল না।" একনাগাড়ে সাক্ষাৎকার দেওয়ার সময় বলতে থাকেন অ্যাঞ্জেলিকা গাইতান। ইতিমধ্যেই গাইতানের মেয়েদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়, যদিও বাবার বিরুদ্ধে অত্যাচারের অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছেন তারা।

(The above story first appeared on LatestLY on Oct 01, 2020 09:40 PM IST. For more news and updates on politics, world, sports, entertainment and lifestyle, log on to our website latestly.com).