বাজারে এসে গেছে কাঁঠাল। পাওয়া যায় কাঁঠাল। গ্রাম বাংলায় তো ভীষণ প্রিয় কাঁঠাল। এছাড়া শহরের মানুষরাও কাঁঠাল খেতে পছন্দ করেন। তাই কাঁঠাল অনেকের কাছেই অত্যন্ত প্রিয়। সকালে মুড়িতে গুড় আর তার সাথে কাঁঠাল মাখিয়ে খাওয়ার মজাই আলাদা। অনেকেই মনে করেন কাঁঠাল খেলে গ্যাস অম্বলের সমস্যা হতে পারে। তবে । মিষ্টি রসালো এই ফল ভিতর থেকে বীজ বের করে আর একটি সুতলি অংশ থাকে সেটি ফেলে দিয়ে খেতে হয়। এতে রয়েছে ফাইবার, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, ভিটামিন, পটাসিয়াম এবং ম্যাগনেসিয়ামের মতো খনিজ পদার্থ রয়েছে।
মিষ্টি রসালো কাঁঠালে জলের পরিমাণ বেশি থাকে। যা শরীরকে হাইড্রেশনের মাত্রা বজায় রাখতে সাহায্য করে। এই ফল খেলে অতিরিক্ত ঘামের ফলে শরীরে যে সমস্যা আছে তা পূরণ করে দেয়। দূর করে ক্লান্তি। ক্যালোরির দিক থেকে, পাকা কাঁঠালে প্রতি ১০০ গ্রামে প্রায় ৯৫ ক্যালোরি থাকে ।
কাঁঠালে রয়েছে ভিটামিন সি । কাঁঠাল শ্বেত রক্তকণিকার কার্যকারিতা বাড়িয়ে দেয়। ফলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে। কাঁঠাল গ্রীষ্মকালীন শারীরিক অসুস্থতা দূর করতে সাহায্য করে। আবহাওয়া পরিবর্তন জনিত জ্বর বা সর্দি কাশি প্রতিরোধ করে।
কাঁঠাল খেলে অম্বল নয় বরঞ্চ কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে। হজমে সাহায্য করে। এটি অন্ত্রের উপকারী ব্যাকটেরিয়ার বৃদ্ধিতেও সহায়তা করে। কাঁঠালে ফ্রুক্টোজ এবং সুক্রোজের মতো প্রাকৃতিক চিনি থাকে। এই চিনির কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই। শক্তি বৃদ্ধিতে সাহায্য করে এই চিনি। করে। কাঁঠাল পটাশিয়াম থাকে। রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে। ধীরে ধীরে হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়।
তাই এই গ্রীষ্মের মিষ্টি ফল কাঁঠাল খান আর শরীরের বিভিন্ন উপকারিতা লাভ করুন।