Rabindra Jayanti 2020 Wishes: আজ ২৫-শে বৈশাখ, কবিগুরুকে জন্মদিনে শ্রদ্ধা লেটেস্টলি বাংলার তরফে
২৫ শে বৈশাখ (Photo Source: Wikipedia)

Rabindra Jayanti 2020 Bengali Wishes: হরিয়ানা ও মহারাষ্ট্র বিধানসভা নির্বাচনের ভোটগ্রহণ ২১ অক্টোবর" end_date=""]রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কেবল গীতিকার বা সুরকার নন, তিনি ছিলেন সংগীতস্রষ্টা। ‘গগনের থালে রবি চন্দ্র দীপক জ্বলে’ গানটিই সম্ভবত রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রথম রচনা। মাত্র ১১ বছর বয়সে এই গানটি লিখেছিলেন তিনি। এরপর প্রায় ৭০ বছর ধরে নিয়মিত গান রচনা করেছিলেন রবি ঠাকুর। সত্যেন্দ্রনাথ ঠাকুর, সুকুমার রায়, হেমলতা দেবীর রচিত বেশ কয়েকটি গানে নিজে সুরও দিয়েছিলেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। শুধু ভারত এবং বাংলাদেশ নয়, শ্রীলঙ্কার জাতীয় সঙ্গীতও রবীন্দ্রনাথের লেখা। ১৮৭৮ সালে ব্যারিস্টারি পড়ার উদ্দেশ্যে ইংল্যান্ডে যান রবীন্দ্রনাথ। ইংল্যান্ডে থাকাকালীন শেকসপিয়র ও অন্যান্য ইংরেজ সাহিত্যিকদের রচনার সঙ্গে রবীন্দ্রনাথের পরিচয় ঘটে। অবশেষে ১৮৮০ সালে প্রায় দেড় বছর ইংল্যান্ডে কাটিয়ে কোনো ডিগ্রি না নিয়ে এবং ব্যারিস্টারি পড়া শুরু না করেই তিনি দেশে ফিরে আসেন।

১৮৮৩ সালের ৯ ডিসেম্বর ঠাকুরবাড়ির কর্মচারী বেণীমাধব রায়চৌধুরীর মেয়ে ভবতারিণীর সঙ্গে রবীন্দ্রনাথের বিয়ে হয়। বিয়ের পর তাঁর নাম পরিবর্তন করে রাখা হয় মৃণালীনি দেবী। আজ ২৫ বৈশাখ রবি ঠাকুরের জন্মদিনে লেটেস্টলি বাংলার তরফ থেকে তাঁকে শ্রদ্ধা।

আজ

২৫ শে বৈশাখ

হে কবিগুরু

তোমার ১৫৯-তম জন্মতিথিতে

লহ প্রণাম.....

আজ

২৫ শে বৈশাখ

হে কবিগুরু

তোমার ১৫৯-তম জন্মতিথিতে

লহ প্রণাম.....

আজ

২৫ শে বৈশাখ

হে কবিগুরু

তোমার ১৫৯-তম জন্মতিথিতে

লহ প্রণাম.....

আজ

২৫ শে বৈশাখ

হে কবিগুরু

তোমার ১৫৯-তম জন্মতিথিতে

লহ প্রণাম.....

আজ

২৫ শে বৈশাখ

হে কবিগুরু

তোমার ১৫৯-তম জন্মতিথিতে

লহ প্রণাম.....

আজ

২৫ শে বৈশাখ

হে কবিগুরু

তোমার ১৫৯-তম জন্মতিথিতে

লহ প্রণাম.....

বাঙালির জীবনে ওতোপ্রতোভাবে জড়িয়ে রয়েছেন কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। বাংলা ক্যালেন্ডারে ২৫ শে বৈশাখ মানেই পুজো পুজো আমেজ বাংলা জুড়ে। রবি ঠাকুরের নাচে-গানে-কবিতায় বাঙালি পালন করে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্মদিন। ১৮৬১ সালের ৭ মে কলকাতার জোড়াসাঁকো ঠাকুরবাড়িতে জন্মগ্রহণ করেন বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। বাংলা সাহিত্য সংস্কৃতি রবি ঠাকুরকে ছাড়া অপূর্ণ। রবি ঠাকুর জীবনে মোট ২,২৩২টি গান লিখেছেন, সুর দিয়েছেন এবং নিজে গেয়েছেন। তাঁর গানের কথায়, উপনিষদ, সংস্কৃত সাহিত্য, বৈষ্ণব সাহিত্য ও বাউল দর্শনের প্রভাব রয়েছে সুস্পষ্ট। অন্যদিকে, তাঁর গানের সুরে ভারতীয় শাস্ত্রীয় সঙ্গীতের ছোঁয়া রয়েছে। এছাড়া ধ্রুপদ, খেয়াল, ঠুমরি, টপ্পা-সহ বাংলার লোকসঙ্গীত, কীর্তন, রামপ্রসাদী, পাশ্চাত্য ধ্রুপদি সংগীত ও পাশ্চাত্য লোকগীতির প্রভাব লক্ষ্য করা যায় রবি ঠাকুরের লেখনীতে।