কালীপুজো ও দীপাবলিকে কেন্দ্র করে আইনশৃঙ্খলা এবং শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। এই উদ্দেশ্যে আগামী বুধবার আলিপুরের ধনধান্য অডিটোরিয়ামে শহরের সব কালীপুজো উদ্যাপন কমিটির প্রতিনিধিদের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে বসবেন কলকাতার পুলিশ কমিশনার মনোজ বর্মা। উৎসবের দিনগুলিতে শহরে শব্দবাজি রুখতে কঠোর পদক্ষেপ, কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশ মেনে মাইক বাজানোর সময়সীমা নিয়ন্ত্রণ, দূষণ রোধ এবং প্রতিমা বিসর্জন সংক্রান্ত নিয়মাবলি প্রসঙ্গে পুজো কমিটিগুলিকে অবগত করা ওই বৈঠকের উদ্দেশ্য বলে জানানো হয়েছে। কলকাতা হাইকোর্ট ইতিমধ্যেই দীপাবলির রাতে শব্দদূষণ রোধে ৯০ ডেসিবেল সীমা বেঁধে দিয়েছে। সেই নির্দেশের বাস্তবায়ন নিয়েই আলোচনা হবে বৈঠকে।
কলকাতা পুলিশের নির্দেশিকা অনুসারে বাজি বাজার বসছে আগামী ১৪ অক্টোবর, তাঁর আগে দক্ষিণ ২৪ পরগনার মহেশতলা ও নুঙ্গি এলাকায় সবুজ আতসবাজি তৈরির ব্যস্ততা তুঙ্গে। তৈরি হচ্ছে ফুলঝুরি, রকেট থেকে শুরু করে বিভিন্ন আলোর বাজি। কালীপুজো যত এগিয়ে আসছে, ততই বাড়ছে ব্যস্ততা। তবে এ বছর দফায় দফায় বৃষ্টির জেরে বাজি তৈরিতে বড় সমস্যা তৈরি হয়েছে। কাঁচা বারুদ ও কাগজ ভিজে যাওয়ায় উৎপাদন ব্যহত হচ্ছে বলে জানাচ্ছেন শ্রমিকরা।
তবুও জোরকদমে চলছে বাজি তৈরির কাজ। শুধুমাত্র পশ্চিমবঙ্গে নয়, ভিন রাজ্যেও কদর রয়েছে মহেশতলা ও নুঙ্গির বাজির। বাজি শিল্পীরা জানাচ্ছেন, তাঁদের তৈরি সবুজ বাজি দামেও সস্তা এবং পরিবেশবান্ধব। ফলে বাজারে চাহিদা বেড়েছে বহুগুণ। দূষণমুক্ত বাজি উৎপাদনের ওপর বিশেষ জোর দেওয়া