Govind Dwadashi 2024: কেন পালিত হয় গোবিন্দ দ্বাদশী? জেনে নিন এই দিনের উপবাসের তিথি, গুরুত্ব ও পুজোর পদ্ধতি...

সনাতন ধর্মে খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি মাস হল মাঘ মাস। এই মাসকে খুব শুভ বলে মনে করা হয়। গঙ্গাস্নান, পুজো-অনুষ্ঠান ইত্যাদি জন্য এই মাস খুবই ভালো। এই মাসে অনেক গুরুত্বপূর্ণ উপবাস ও অনুষ্ঠান পালন করা হয়। গোবিন্দ দ্বাদশী তার মধ্যে অন্যতম। মাঘ মাসের শুক্লপক্ষের দ্বাদশ তিথিতে গোবিন্দ দ্বাদশীর উপবাস ও পুজো করা হয়। মান্যতা আছে, এই দিনে শ্রী হরির লক্ষ্মী নারায়ণ রূপের পুজো ও আচার-অনুষ্ঠান করা হয়। নিয়মিত উপবাস ও উপাসনা করলে ব্যক্তি জীবনের সমস্ত সুখ লাভের পাশাপাশি সন্তান লাভের ইচ্ছাও পূরণ হয়। কোনও কোনও স্থানে গোবিন্দ দ্বাদশীকে বলা হয় ভীষ্ম দ্বাদশী। ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারি মাসের ২০ তারিখ পালিত হবে গোবিন্দ দ্বাদশী। এবার জেনে নেওয়া যাক গোবিন্দ দ্বাদশীর উপবাসের গুরুত্ব।

বিষ্ণু পুরাণ অনুসারে, ভীষ্মকে গোবিন্দ দ্বাদশী উপবাসের কথা বলেছিলেন ভগবান বিষ্ণু, যা অনুসরণ করেছিলেন তিনি। একারণে কোনও কোনও স্থানে গোবিন্দ দ্বাদশীকে ভীষ্ম দ্বাদবশীও বলা হয়। ভগবান বিষ্ণুর মতে, যে ব্যক্তি উপবাস করে গোবিন্দ দ্বাদশীর পুজো করে, তার সমস্ত ইচ্ছা পূরণ হয়। কথিত আছে, মাঘ শুক্লপক্ষের অষ্টমীতে ভীষ্ম পিতামহ স্বেচ্ছায় দেহ ত্যাগ করেছিলেন। তাই সনাতন ধর্মে এই দিনটির বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে। এছাড়াও গোবিন্দ দ্বাদশীর দিনে পিতৃপুরুষদের নামে পুজো করলে তাদের আত্মা শান্তি পায়।

২০২৪ সালে মাঘ শুক্লা দ্বাদশী ২০ ফেব্রুয়ারি সকাল ৯:৫৫ মিনিটে শুরু হয়ে শেষ হবে ২১ ফেব্রুয়ারি সকাল ১১:২৭ মিনিটে। উদয় তিথি অনুসারে, ২১ ফেব্রুয়ারির দিন পালন করা হবে গোবিন্দ দ্বাদশীর উপবাস। এদিন ব্রাহ্ম মুহুর্তে স্নান করে উপবাস এবং শ্রী হরির পুজো করার প্রতিজ্ঞা নিতে হয় প্রথমে। এরপর রীতি অনুযায়ী লক্ষ্মীনারায়ণের পুজো ও আচার করতে হবে। শ্রী হরির পুজোর জন্য বাড়ির মন্দির পরিষ্কার করে মন্দিরের সামনের একটি জায়গায় হলুদ বা লাল কাপড় বিছিয়ে লক্ষ্মীনারায়ণের ছবি বা মূর্তি স্থাপন করতে হবে। এরপর ধূপ প্রদীপ জ্বালিয়ে তুলসী জপমালা দিয়ে ১০৮ বার মন্ত্রটি জপ করে পুজো করতে হবে।