Pakistan Violates Ceasefire In Poonch: যুদ্ধবিরতি চুক্তি লঙ্ঘন করে নতুন বছরে প্রথম হামলা পাকিস্তানের, যোগ্য জবাব ভারতীয় জওয়ানদের
যুদ্ধবিরতি চুক্তি লঙ্ঘন করে নতুন বছরে প্রথম হামলা পাকিস্তানের (Photo Credits: PTI)

পুঞ্চ, ১২ জানুয়ারি: ফের উত্তপ্ত নিয়ন্ত্রণরেখা (LoC)। পাকিস্তানের (Pakistan) প্ররোচনায় জম্মু-কাশ্মীর (Jammu-Kashmir) সীমান্তের পুঞ্চ জেলায় কাঁটাতারের ওপার থেকেই গুলি চালাতে শুরু করে পাক সেনাবাহিনী। যুদ্ধবিরতি চুক্তি লঙ্ঘন করে ফের শনিবার রাতে জম্মু ও কাশ্মীরের পুঞ্চ জেলায় নিয়ন্ত্রণ রেখা বরাবর ফরোয়ার্ড পোস্ট এবং গ্রামগুলিকে লক্ষ্য করে নিরবচ্ছিন্ন গুলি চালায় পাক সেনারা। এমনটাই জানা গিয়েছে ভারতের প্রতিরক্ষা দফতরের এক মুখপাত্রের দেওয়া তথ্য মারফ। তবে এই ঘটনা এখনও পর্যন্ত কোনও হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। কিন্তু অতর্কিতে এমন হামলায় উত্তেজনা রয়েছে গোটা এলাকায়।

জানা গিয়েছে, ভারতীয় সেনাবাহিনীর (Indian Army) তরফে এর যোগ্য জবাব দেওয়া হয়েছে। প্রতিরক্ষা মন্ত্রক (Defence Ministry) সূত্রে জানা গিয়েছে, শনিবার রাত সাড়ে ন'টা নাগাদ পুঞ্চের দেওয়ার সেক্টরে সংঘর্ষবিরতি লঙ্ঘন করে পাক বাহিনী। ছোট অস্ত্র এবং মর্টার থেকে বিনা প্ররোচনায় হামলা চালানো হয়। কিন্তু ভারতীয় জবাবের মুখে পিছু হটতে বাধ্য হয় পাক সেনা। এদিকে গত শুক্রবারও গুলপুর সেক্টরে পাকিস্তানের মর্টার শেলিংয়ে দু'জন সেনা জওয়ান নিহত ও তিন জন আহত হয়েছেন। সংঘর্ষবিরতি চুক্তি লঙ্ঘন করে হামলার ঘটনায় গত বছর অর্থাৎ ২০১৯ সালে বিগত ১৬ বছরের রেকর্ড ভেঙে দিয়েছে পাক সেনা। সদ্য শেষ হওয়া বছরে সবমিলিয়ে ৩,২০০ বার হামলা চালায় পড়শি দেশের সেনাবাহিনী। অর্থাৎ গত বছর পাকিস্তানের তরফে গড়ে রোজ ৯টি করে সংঘর্ষ বিরতি চুক্তি লঙ্ঘনের ঘটনা ঘটেছে। ২০১৭ সালের নিরিখে তিন গুণ বেশি হামলা হয়েছে ২০১৯-এ। ২০১৭-য় পাকিস্তানের তরফে সংঘর্ষবিরতি লঙ্ঘনের ঘটনা ঘটেছিল ৯৭১ বার। আরও পড়ুন: Gauri Lankesh Murder Case: সাংবাদিক গৌরী লঙ্কেশ হত্যায় নয়া মোড়, ধানবাদ থেকে গ্রেপ্তার ১

নতুন বছরেও সংঘর্ষবিরতি চুক্তি লঙ্ঘন (Ceasefire) করে হামলার ঘটনা অব্যহত রেখেছে তারা। প্রতিদিনই একাধিক স্থান থেকে সংঘর্ষবিরতি লঙ্ঘনের ঘটনা সামনে আসছে।এনডিটিভির খবর অনুযায়ী, কাশ্মীরের নিয়ন্ত্রণরেখা লাগোয়া গ্রামগুলিতে (Villeage) আতঙ্কের আবহ তৈরি করতেই পাকিস্তানের সেনাবাহিনী বারেবারে হামলা করছে বলে মত বিশেষজ্ঞদের। পরিস্থিতির ওপরে কেন্দ্রীয় সরকার এবং সেনাবাহনীর তরফে কড়া নজর রাখা হচ্ছে বলে জানানো হয়েছে।