নয়াদিল্লিঃ কথাতেই আছে মাছে-ভাতে বাঙালি (Bengali)। আর রাজধানীর (Capital) বাঙালি আখড়া বলা চলে সিআর পার্ক বা চিত্তরঞ্জন পার্ককে (Chittaranjan Park )। আর সেই সিআর পার্কেই মাছ বিক্রিতে বাধা? তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্রের (TMC MP Mahua Moitra) একটি পোস্টকে ঘিরে বিতর্কের ঝড়। তোলপাড় বাংলা থেকে দিল্লির রাজনৈতিক মহল। সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি পোস্ট করেন তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্র। সেই ভিডিয়োতে দেখা গিয়েছে, দিল্লির সিআর পার্কের এক নম্বর মার্কেটের গেটের সামনে মাছ বাজারে এসে ব্যবসায়ীদের উপর চড়াও হয়েছেন কয়েকজন যুবক। নিজেদের সনাতনী বলে দাবি করেন তাঁরা। মন্দিরের পাশেই রয়েছে কালী মন্দির। মন্দিরের পাশে কীভাবে মাছ বিক্রি হচ্ছে? এই নিয়ে প্রশ্ন তোলেন তাঁরা। শুধু তাই নয়, ব্যবসায়ীদের মাছ বাজার তুলে নেওয়ার হুমকি পর্যন্তও দেন তাঁরা। সবশেষে হনুমান চালিশা পাঠের হুমকিও দেওয়া হয় বলে অভিযোগ।
বিজেপির বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ মহুয়ার
আর এরপরই নিন্দায় সরব হয়েছেন তৃণমূল সাংসদ। বাঙালির কাছ থেকে খাবারের স্বাধীনতা কেড়ে নেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন মহুয়া। তিনি বলেন, "আমরা কি শুধু ধোকলা আর চাট খাবো? আর জয় শ্রী রাম বাণী পাঠ করব?" তাঁকে সমর্থন জানিয়ে একটি ইঙ্গিতপূর্ণ পোস্ট করেন আরেক ক তৃণমূল সাংসদ ডেরেক ও’ব্রায়েন। ডিম সহযোগে বানানো ফ্রায়েড রাইসের ছবি দিয়ে ক্যাপশনে লেখেন, "লাঞ্চ নিয়ে কোনওরকম সমঝোতা নয়।" যদিও মহুয়া মৈত্রের অভিযোগকে উড়িয়ে দিয়েছেন দিল্লি বিজেপি সভাপতি বীরেন্দ্র সচদেব। একটি বিবৃতি দিয়ে তিনি সাফ জানান, মন্দির ও মাছের বাজারে মধ্যে কোনও সংঘাত নেই। ইচ্ছে করে বিতর্ক তৈরি করা হচ্ছে বলে পাল্টা অভিযোগ বিজেপি সভাপতির। যে বা যারা এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত তাঁদের গ্রেফতারির দাবি জানিয়েছেন বীরেন্দ্র সচদেব। অন্যদিকে এই প্রসঙ্গে , বিজেপি সভাপতি তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার বলেন, "আমিও মাছ খাই। কিছুক্ষণ আগেই মাছ খেয়ে এলাম। মাছের সঙ্গে বিজেপির কোনও দ্বন্দ্ব নেই।"
মন্দিরের পাশে মাছ বিক্রিতে বাধা, গেরুয়া শিবিরের বিরুদ্ধে সরব তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্র
‘Are we all supposed to eat dhoklas and chant Jai Shri Ram?’: Mahua Moitra claims BJP goons forced shut down of fish shops in Delhi’s CR Park, BJP calls video fake https://t.co/EkNgxe9VfX
— Financial Express (@FinancialXpress) April 10, 2025