এখন বাজারে বের হলেই পাওয়া যাবে কাঁঠাল। কাঁঠাল অনেকেই পছন্দ করেন। কাঁঠাল আগে কাঁচা অবস্থায় তরকারি হিসেবে ব্যবহার করলে তার জুড়ি মেলা ভার।  প্রচুর উপকার রয়েছে। এচড়েও রয়েছে অনেক উপকার। কিন্তু এর বীজে যা উপকার রয়েছে আপনি অবাক হবেন।  পেটের যেকোনো সমস্যার ভীষণভাবে কাজ করে। ব্যাকটেরিয়াদের ধ্বংস করে কাঁঠালের বীজ। বীজগুলি ধুয়ে সংরক্ষণ করে রাখুন। শুধুমাত্র বিভিন্ন রকম উপকার নয় এই কাঁঠাল বীজ রান্নাতেও ব্যবহার করা হয়। যে কোনো রকম রান্নায় দিলে তার খাবারের গুণগত মান বেড়ে যায়, স্বাদও বদলে যায়।

কাঁঠালের বীজে রয়েছে প্রচুর অ্যান্টি–অক্সিডেন্ট। তাই  আবহাওয়া পরিবর্তনের সময় যে শারীরিক সমস্যা হয় বিশেষত সর্দি কাশি। তা রোধ করে।  শরীরে আলাদা উদ্দীপনা পাওয়া যায় । কাঁঠালের বীজে স্টার্চ, প্রোটিন, ভিটামিন, মিনারেল আছে। কাঁঠালের বীজে বি-কমপ্লেক্স ভিটামিন রয়েছে।

 কাঁঠালের বীজ ভেজে খাওয়া যায়।  রান্নায় ব্যবহার করা যায় । নানা রকম তরকারি করা যায়। ভর্তা, মুগডালে  কাঁঠালের বীজ ব্যবহার হয়।
কাঁঠালের বীজে প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম আছে। তাই  হাড় মজবুত করে । কাঁঠালের বীজ শরীরের আয়রনের ঘটতি মেটায়। ফলে রক্তস্বল্পতা দূর হয় । কাঁঠালের বীজ ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রন করে। ফাইবার রয়েছে কাঁঠালের বীজ। ভিটামিন এ রয়েছে কাঁঠালের বীজে ।  চোখের নানা সমস্যা দূর করে । চোখের জ্যোতি বাড়িয়ে তোলে। কাঁঠালের বীজে প্রোটিন ও মাইক্রোনিউট্রিয়েন্টস আছে। তাই মানসিক চাপ কমাতে সাহায্য করে।কাঁঠালের বীজে আছে ক্যালরি ।

উচ্চমানের প্রোটিন সমৃদ্ধ কোলেস্টেরলবিহীন বীজটি ডায়েট চার্টে থাকলে তৈরি হবে পেশীবহুল শরীর। মিলবে ক্যালরিও।  হজমের সমস্যা রোধে কাজ করে কাঁঠালের বীজ। কাঁঠালের বীজে রয়েছে প্রচুর আঁশ। তাই কাঁঠালের বীজে কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা থাকলে উপকার করে।  ত্বকে বলিরেখা দূর করতে কাঁঠালের বীজ কাজ করে।