Representational Image (Photo Credits: Pixabay)

কলকাতাঃ মেমারিতে বাবা-মাকে গলা কেটে খুন (Murder)। এরপর বনগাঁতে মাদ্রাসার মধ্যে ধারালো অস্ত্র হাতে হামলা। গ্রেফতার সিভিল ইঞ্জিনিয়ার। তার তাণ্ডবে আহত মাদ্রাসার দুই শিক্ষক। অভিযুক্ত যুবকের নাম হুমায়ুন কবির সিদ্দিকি। জানা গিয়েছে, মেমারির বাসিন্দা কবির। বুধবার মেমারির বাড়ি থেকে উদ্ধার হয় তার বাবা-মায়ের রক্তাক্ত দেহ। বৃদ্ধ দম্পতিকে খুনের অভিযোগ উঠেছে ছেলে কবিরের বিরুদ্ধে। সেই ঘটনার তদন্ত চলতে চলতেই বনগাঁয় এসে মাদ্রাসায় হামলা চালায় সে। আরও পড়ুনঃ নাবালিকা ছাত্রীকে যৌন হেনস্থা, গ্রেফতার শিক্ষক

বাবা-মাকে খুনের অভিযোগ উঠল ছেলের বিরুদ্ধে

প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, মাদ্রাসাইয় আজান দেওয়ার পর যখন পঠনপাঠন শুরু হয় তখন আচমকা সেখানে ঢুকে পড়ে কবির নামে ওই যুবক। ধারাল অস্ত্র দিয়ে উপস্থিত শিক্ষক ও পরিচালকদের আঘাত করে সে। গুরুতর আহত হন বেশ কয়েকজন। রক্তাক্ত অবস্থায় তাঁদের তড়িঘড়ি বনগাঁ মহকুমা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এই খবর পেয়েই মাদ্রাসার সামনে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন স্থানীয়রা। জানা গিয়েছে, হুমায়ুন ছেলেবেলা থেকেই মেধাবী ছিল। যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইঞ্জিনিয়ারিং পাশ করে দিল্লিতে একটি বেসরকারি সংস্থায় চাকরি করত সে। বছর চারেক আগেই বিয়ে হয় তার। কিন্তু সেই বিয়ে টেকেনি। মাঝে দীর্ঘদিন নিখোঁজ ছিল সে। পরে হিমাচল প্রদেশ থেকে তাকে বাড়িতে ফিরয়ে আনে বাবা-মা। এরপর মেমারির বাড়িতে বাবা মুস্তাফিজুর রহমান ও মা মমতাজ পারভিনকে কুপিয়ে খুন করার অভিযোগ উঠেছে কবিরের বিরুদ্ধে। কী কারণে খুন তা যদিও এখনও স্পষ্ট নয়। তবে প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের অনুমান, অভিযুক্ত মানসিক ভারসাম্যহীন।

 বাবা-মাকে গলা কেটে খুন করে মাদ্রাসায় হামলা, গ্রেফতার যাদবপুরের মেধাবী প্রাক্তনী