Journey Of Arvind Kejriwal: ‘মাফলার ম্যান’ থেকে টানা তিন বার দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী, কেমন ছিল অরবিন্দ কেজরিওয়ালের রাজনৈতিক জীবন!
অরবিন্দ কেজরিওয়াল (Photo Credits: Twitter)

২০১২ সালের নভেম্বরে যখন জনসমক্ষে এল আম আদমি পার্টি (aap), তখনও কেউ ভাবতে পারেননি আগামী আট বছরে ইতিহাস গড়বে এই দলটা? শুধু কি ইতিহাস গড়া! উল্টে দেবে হিসেব নিকেশ! কোনও ছাপ মারা রাজনৈতিক পরিচিতি ছাড়াই একটি রাজনৈতিক দল প্রতিষ্ঠা করাই শুধু নয় কংগ্রেস, বিজেপি-র মতো বর্ধিষ্ণু দলকে পিছনে ফেলে পর পর তিন বার আসবে দিল্লির ক্ষমতায়, এটা জেগে স্বপ্ন দেখা ছাড়া আর অন্য কোনও ভাবনা নয়। কিন্তু এমন স্বপ্নকেই বাস্তবে রূপ দিলেন তিনি। তিনি অরবিন্দ কেজরিওয়াল। রাজধানীর তিন বারের মুখ্যমন্ত্রী।

অতি বড় আশাবাদীও বোধ হয় ভাবেননি গলায় মাফলার, গায়ে সোয়েটার পরা ওই মানুষটা নাকানি চোবানি খাওয়াবেন রাজধানীর তাবড় পোড় খাওয়া রাজনীতিককে। খড়্গপুর আইআইটি, টাটা স্টিলের লোভনীয় চাকরি ছেড়ে কীভাবে দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী হলেন চলুন আজকের দিনে জেনে নেওয়া যাক আরও একবার (Journey Of Arvind Kejriwal)। ১৬ই আগস্ট ১৯৬৮ সালে জন্ম অরবিন্দ কেজরীওয়ালের। ভারতীয় রাজনীতিবিদ, সমাজকর্মী এবং ভারতীয় রাজস্ব সেবার সাবেক কর্মকর্তা হিসেবে কাজ করেছেন তিনি। জন লোকপাল বিল আন্দোলনের সময় যোগ দেন আন্না হাজারের সঙ্গে। সেই সময়েই চলে আসা স্পট লাইটে। তারপরে প্রতিষ্ঠা আম আদমি পার্টির। দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নিলেন ২০১৩ সালে। তারপরে ফের ২০১৫ সালে মুখ্যমন্ত্রী পদে বসেন। আবারও ২০২০তে দিল্লির মসনদে বসতে চলেছেন তিনি আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি। বিভাজনের রাজনীতিকে ছুড়ে ফেলে দিয়েছেন দিল্লির বাসিন্দারা। ধর্মের নামে নয়, কাজ দেখে তাঁরা ভোট দিয়েছেন। দিল্লি বিধানসভা নির্বাচনে বিপুল সংখ্যক জয়ের খবরের পর এভাবেই দিল্লির নাগরিকদের আজ ধন্যবাদ জানান মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরীবাল। আরও পড়ুন: Arvind Kejriwal Take Oath on Feb 14: ১৪ ফেব্রুয়ারি তৃতীয়বারের জন্য দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নেবেন অরবিন্দ কেজরিওয়াল, হাজির থাকবেন মমতাও

তিনি বলেন, ‘এই জয় মানুষের জয়। কাজের প্রতি উন্নয়নের প্রতি বিশ্বাস রেখেই মানুষ ভোট দিয়েছেন। যা নতুন রাজনৈতিক যুগের সূচনা করেছে।’ দিল্লিবাসীকে ধন্যবাদ জানিয়ে কেজরীবাল (Arvind Kejriwal) আরও বলেন, ‘তৃতীয় বার আম আদমি পার্টির ওপর ভরসা রাখার জন্য দিল্লিবাসীকে ধন্যবাদ। যাঁরা আমাকে নিজের ছেলে বলে মনে করেন, যাঁরা আমাদের ভোট দিয়েছেন, আজকের এই জয় তাঁদের জয়। দিল্লির মানুষের ওপর হনুমানজির আশীর্বাদ রয়েছে। পরবর্তী পাঁচ বছরেও হনুমানজিই রাস্তা দেখাবেন। দারুণ কাজ করে দেখিয়েছেন দিল্লির বাসিন্দারা। আপনাদের আমি খুব ভালবাসি।’