অ্যাপোলো ১১ মহাকাশ অভিযান: চাঁদে পাড়ির সুবর্ণজয়ন্তী, নাসার মহাকাশ গবেষণার ৫০ বছর পূর্তিতে গুগলের শ্রদ্ধার্ঘ

আমেরিকার মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা ১৯৬৯ সালে প্রথম চাঁদে মহাকাশযান পাঠায় তার নাম অ্যাপোলো ১১ । আমেরিকার মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা ১৯৬৯ সালে প্রথম চাঁদে মহাকাশযান পাঠায় তার নাম অ্যাপোলো ১১ ।

অ্যাপোলো ১১ মহাকাশ অভিযান: চাঁদে পাড়ির সুবর্ণজয়ন্তী, নাসার মহাকাশ গবেষণার ৫০ বছর পূর্তিতে গুগলের শ্রদ্ধার্ঘ
চন্দ্রাভিযানের সুবর্ণ জয়ন্তীতে গুগলের শ্রদ্ধার্ঘ(Photo Credit: Google)

মহাকাশে (Space) পাড়ি দেওয়ার কথা মনে এলেই আমাদের চোখের সামনে চাঁদ (Moon) ভেসে ওঠে। পৃথিবীর মানুষ প্রথমে চাঁদের রহস্য মোচনেই উদগ্রীব হয়েছিল। তাইতো নীল আর্মস্ট্রং, এডউইন অলড্রিন ও মাইকেল কলিন্সের নাম আমরা কখনওই ভুলব না। সেই তো শৈশবের ভূগোল বইয়ের পাতায় আলো করে থাকে এই তিন ব্যক্তিত্ব। আমেরিকার মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা ১৯৬৯ সালে প্রথম চাঁদে মহাকাশযান পাঠায় তার নাম অ্যাপোলো ১১ (Apollo 11 mission)। আমেরিকার মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা ১৯৬৯ সালে প্রথম চাঁদে মহাকাশযান পাঠায় তার নাম অ্যাপোলো ১১  (Google celebrates the 50th moon land anniversary)। আরও পড়ুন-সমস্ত বাধা কাটিয়ে আগামী রবিবারই চন্দ্রযান-২-এর উৎক্ষেপণ

 

ডুডলের মাধ্যমে তিন প্রথম মহাকাশচারী, চারলক্ষ প্রযুক্তিবিদ ও নাসাকে সম্মাননা জানাচ্ছে গুগল। সেই চার লক্ষ প্রযুক্তিবিদ যাঁরা নিজেদের আনন্দ, বিনোদন, অবসরকে ভুলে শুধু আগামীর চিন্তাতেই চাঁদে পা রাখার জন্য অক্লান্ত গবেষণা করে গিয়েছেন। সেই অক্লান্ত পরিশ্রমের ফল মিলেছে অচিরেই এডউইন অলড্রিন ওনীল আর্মস্ট্রং ছিলেন মহাকাশচারী, আর চন্দ্রাভিজানের জন্য যে মহাকাশযান (অ্যাপোলো ১১) পাঠিয়েছিল নাসা সেটির পাইলট ছিলেন মাইকেল কলিন্স। দুই মহাকাশচারীর চাঁদে পা রাখার পর থেকে গোটা ঘটনাদৃশ্যই ডুডলের মাধ্যমে তুলে ধরা হয়েছে। অনেকেই হয়তো জানেন না এই অভিযানের পরে পরেই ফ্লোরিডাতে অবস্থিত নাসার কেনেডি স্পেস সেন্টারটি বিস্ফোরণে উড়ে যায়। সেসবের সংমিশ্রণেই গুগলের নিবেদন ‘দ্যাটস ওয়ান স্মল স্টেপ।’

৫০টি বছর আগে চাঁদে মানুষ পৌঁছায়। মহাকাশচারীরা প্রথমে চাঁদের চারপাশে একটি কক্ষপথ ধরে প্রদক্ষিণ করার পর "ঈগল" নামক চন্দ্র মডিউলে করে ১৩-মিনিটের একটি সফরের পর চাঁদের বুকে পা রাখেন। সেই গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে ঘটেছিল দুটি যান্ত্রিক গোলযোগ। এক, বেতার তরঙ্গে পৃথিবীর সঙ্গে যোগাযোগ হারিয়ে ফেলেছিলেন নীল আর এডুইন। ফলে, কম্পরিউটারে তখন অজানা হিজিবিজি কোড শো করছিল। দুই, জ্বালানির ভাঁড়ারে টান ধরেছিল। যদিও এই দুই প্রতিকূলতা কাটিয়ে ২০ জুলাই সফল ভাবেই দুই নভোশ্চর পা রাখেন চাঁদে। প্রথম পা রেখে ইতিহাস গড়েছিলেন নীল। ডুডল যাকে বলেছে, ছোট্ট একটা পদক্ষেপ মানব সভ্যতার সফল ইতিহাস লিখল। এই অ্যাপোলো ১১ ছিল বলেই ফ্রিজে শুকনো খাবার রাখার সুযোগ পেল মানুষ। ওই বছরের ২৫ জুলাই সফল মহাকাশ অভিানের পর তিনজনই পৃথিবীতে ফিরে আসেন।

 

(The above story first appeared on LatestLY on Jul 19, 2019 11:26 AM IST. For more news and updates on politics, world, sports, entertainment and lifestyle, log on to our website latestly.com).