Air Fare Hike: আন্তঃরাজ্য বিমান চলাচলে ৩০ শতাংশ বাড়ল টিকিট মূল্য,  করোনার বাজারে বেজায় বিপাকে মধ্যবিত্ত
প্রতীকী ছবি (Photo Credits: Pixabay)

নতুন দিল্লি, ১২ ফেব্রুয়ারি: এমনিতেই করোনাকালে লকডাউনের জেরে দেশের অর্থনীতি মুখ থুবড়ে পড়েছে। তাতে দিনের পর দিন ক্রমাগত বেড়ে চলেছে জ্বালানি তেলের দাম। পেট্রোল ডিজেলের এহেন মূল্যবৃদ্ধিতে দেশবাসীর নাভিশ্বাস উঠেছে। সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে রান্নার গ্যাসের দামও। এবার মধ্যবিত্তের সাধ্যের বাইরে চলে গেল আন্তঃরাজ্য বিমান পরিষেবার খরচ (Air Fare Hike)। ঘরোয়া বিমান যাত্রীর ভাড়া এক ধাক্কায় ৩০ শতাংশ বেড়েছে। মিনিস্ট্রি অফ সিভিল অ্যাভিয়েশন (এমওসিএ) জানিয়েছে, ১৮০ থেকে ২১০ মিনিটের বিমানযাত্রার পথে সর্বোচ্চ দর ১৮,৬০০ টাকা থেকে ৩০ শতাংশ বাড়িয়ে ২৪,২০০ টাকা করা হচ্ছে। অর্থাৎ এক্ষেত্রে ৫৬০০ টাকা বাড়ছে। আর একেবারে কম সময়ের যাত্রাপথের ক্ষেত্রে সর্বনিম্ন যে বিমানযাত্রার দর তা বাড়ানো হচ্ছে ১০ শতাংশ। যার পরিমাণ ২০০ টাকা।  আরও পড়ুন-Bangla Bandh Effect On Students: ১১ মাস পরে আজই খুলছে স্কুল, বামেদের ডাকা বনধের জেরে সমস্যায় পড়ুয়ারা

এমনিতেই করোনাকালে মধ্যবিত্তের পকেটে টান অবস্থা। তবুও সুরক্ষা বিধি মেনে চলতে প্রায় কষ্ট করেই বিমান পরিষেবার দিকে ঝুঁকছিল মধ্যবিত্তের একাংশ। তবে এই নয়া ভাড়া বৃদ্ধি, সেই পথে একেবার কাঁটার ভূমিকা নিল বলে মনে করছে ওয়াকিবাহল মহল। যদিও ঘরোয়া বিমান ৩০ শতাংশ মূল্যবৃদ্ধিকে রুটিন পরিবর্তন বলতেই পেশি পছন্দ করছে অসামরিক বিমান পরিবহন মন্ত্রকের। এই প্রসঙ্গে অ্যাভিয়েশন সেক্টরের বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বিমানের জ্বালানির দাম বেড়ে যাওয়ায় বিমানের টিকিটের এই দামবৃদ্ধি। করোনার জেরে গত বছর ২৫ মার্চ থেকে বিমান পরিষেবায় ছেদ পড়ে। এরপর ২৫ মে ফের ঘরোয়া বিমান চালু হলেও, দীর্ঘদিন পরিষেবা বন্ধ থাকায় বড়সড় ক্ষতির মুখে পড়ে সরকারি ও বেসরকারি বিমান পরিষেবা সংস্থা। একলপ্তে কর্মী ছাঁটাইও চলে। এসব দুর্যোগ কাটিয়ে যখন বিমান পরিবহন ব্যবসা ফের জমে উঠতে শুরু করল, তখনই বেড়ে গেল জ্বালানি তেলের দাম। এই মূল্যবৃদ্ধি নিয়ে অসামরিক বিমান পরিবহনমন্ত্রক প্রথমে মুখ খুললেও পরের দিকে চুপ করে যায়। শেষে রুটিন পরিবর্তনের সাফাই দিয়ে মধ্যবিত্তে ঘাড়ে বোঝা চাপিয়ে বাড়ল বিমান ভাড়া।