Representational Image (Photo Credit: X)

Gopalpur Beach Gangrape Case: ওডিশার গাঞ্জম জেলার গোপালপুর সৈকতে গণধর্ষণ কাণ্ডে চাঞ্চল্যকর কথা জানালেন বেহরামপুরের এসপি সারাভানা বিবেক এম। তিনি জানালেন, মেয়েটিকে গণধর্ষণ করে তিনজন। কিন্তু এই গুরুতর অপরাধে জড়িত মোট দশ জন। ১০ অভিযুক্তকেই গ্রেফতার করা হয়েছে বলে ওডিশা প্রশাসন জানায়। গণধর্ষণ কাণ্ডে জড়িতদের মধ্যে ৪ জন নাবালকও আছে বলে জানানো হয়েছে। অভিযুক্তদের জেরা করে একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য পাচ্ছে পুলিশ। এমন দাবিই করা হচ্ছে ওডিশার স্থানীয় সংবাদমাধ্যমে। মেয়েটির পুরুষ সঙ্গীকে জোর করে আটকে রেখে গণধর্ষণ করে ৩ জন। বাকি ৭ জন এই গণধর্ষণে সহায়তা করে।

গোপালপুর সৈকতের একটু নির্জন স্থানে বসে মেয়েটি ও তার পুরুষ সঙ্গী গল্প করছিলেন

রবিবার রাত ১০টা নাগাদ এই গণধর্ষণ হয়। এরপর রাত ১১টায় মেয়েটি গোপালপুর পুলিশ স্টেশনে এসে ধর্ষণের অভিযোগ দায়ের করে। এরপরই এফআইআর দায়ের করা হয়। ধর্ষণের পাশাপাশি মেয়েটির থেকে জোর করে টাকা চুরির চেষ্টাও করা হয় বলে অভিযোগ। এই গণধর্ষণ কাণ্ডে তিনদিনের মধ্যে অ্যাকশন রিপোর্ট চেয়ে পাঠিয়েছে জাতীয় মহিলা কমিশন (NCW)।

১০ অভিযুক্তদের গ্রেফতার

কড়া পদক্ষেপ জাতীয় মহিলা কমিশনের

এদিকে, গোপালপুর সৈকতে বছর কুড়ির কলেজ ছাত্রীকে গণধর্ষণের ঘটনায় স্বতঃপ্রণোদিত ভাবে তদন্তভার গ্রহণ করেছে জাতীয় মহিলা কমিশন (National Commission for Women)। মঙ্গলবার NCW-র তরফ থেকে বিবৃতি জারি করে এমনটাই জানানো হয়েছে। বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়ছে, জাতীয় মহিলা কমিশনের চেয়ারপারসন বিজয়া রাহাতকর এই ঘটনার পর নিজে চিঠি লিখেছেন ওড়িশার ডিজিপি-কে। যত দ্রুত সম্ভব সকল অভিযুক্তদের গ্রেফতারি এবং ঘটনার যথাযথ তদন্ত যাতে হয় সেই নির্দেশ দিয়েছেন। পাশাপাশি নির্যাতিতা তরুণীর বিনামূল্যে চিকিৎসার ব্যবস্থা করা এবং প্রয়োজনে তাঁকে মনোবিদের সাহায্য নিতে বলা হয়েছে।

কীভাবে হয়ে গণধর্ষণ

রবিবার সন্ধ্যায় একটি উৎসবে যোগ দেন মেয়েটি ও তার বন্ধুরা। গোপালপুর সৈকতের একটু নির্জন স্থানে বসে মেয়েটি ও তার পুরুষ সঙ্গী গল্প করছিলেন। নির্যাতিতার দাবি, সেই সময় সেখানে মোটরবাইকে করে ১০ জন আসেন। তাঁদের উত্ত্যক্ত করেন। নানা কটূক্তি করতে থাকেন। শুধু তাই নয়, দুজনের ছবিও তাঁরা ক্যামেরাবন্দি করেন। বন্ধু প্রতিবাদ করতেই ঘটে বিপত্তি। সকলে মিলে তাঁদের উপর ঝাঁপিয়ে পড়ে। যুবকের হাত-পা বেঁধে মারধর করা হয়। এরপর তরুণীকে সৈকতের কাছে একটি পরিত্যক্ত বাড়িতে নিয়ে গিয়ে গণধর্ষণ করে পালিয়ে যান অভিযুক্তরা।