UP: প্রাক্তন বিজেপি বিধায়কের অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করে ৩০ লাখের কেনাকাটা, ধরা পড়ল গাড়ি চালকই
Arrest, Representational Images (Photo Credit: File Photo)

বারাণসী, ১ মে: পরের টাকায় চলছিল দেদার কেনাকাটা, দিনদিন তা বাড়তে বাড়তে পৌঁছে গিয়েছিল প্রায় ৩০ লাখ টাকায়। শেষমেশ ধরা পড়ে গেল সব জারিজুরি। উত্তরপ্রদেশের (Uttar Pradesh) প্রাক্তন বিজেপি বিধায়ক সুরেন্দ্র নারায়ণ সিংয়ের (Surendra Narain Singh) বেতন অ্যাকাউন্ট থেকে ৩০ লাখ টাকার কেনাকাটা করার অভিযোগে গ্রেফতার করা হল তাঁরই গাড়ি চালক বিবেক সিংকে (Vivek Singh)। ওই যুবককে গ্রেফতার করেছে সাইবার ক্রাইম সেল।

সুরেন্দ্র নারায়ণ সিং ২০১৭ সাল থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত বিজেপি-র বিধায়ক ছিলেন। তাঁর গাড়ি চালাক বিবেক সিং ২০১৯ সাল থেকে ২০২১ সালের মধ্যে ইলেকট্রনিক্স, গৃহস্থালী, ফ্যাশন এবং খাদ্য সামগ্রীর জন্য ৩০ লাখ টাকার কেনাকাটা করেছিলেন। প্রাক্তন বিধায়ক তাঁর অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা তোলার বিষয়ে সাইবার ক্রাইম সেলের কাছে অভিযোগ দায়ের করেছিলেন। আইজি রেঞ্জ কে সত্যনারায়ণ বলেছেন যে প্রাক্তন বিধায়কের অভিযোগের ভিত্তিতে একটি মামলা রুজু করে তদন্ত নামা নয়। বারাণসী রেঞ্জের সাইবার ক্রাইম শাখা বিস্তারিত তদন্ত চালিয়েছে এবং বিবেককে গ্রেফতার করা হয়েছে। ধৃতের বাড়ি থেকে দুটি স্মার্ট টিভি, এমপ্লিফায়ার, সাউন্ড মিক্সিং মেশিন, স্টেবিলাইজার, লাইট, ল্যাপটপ, কুলার, ইনভার্টার, ব্যাটারি এবং আট লাখ টাকার বেশি মূল্যের আরও অনেক কিছু সরঞ্জাম উদ্ধার করেছে। আরও পড়ুন: Rampurhat Massacre: দীর্ঘ এক মাসের লড়াই শেষ, রামপুরহাটকাণ্ডে মৃত্যু আরও এক অগ্নিদগ্ধ মহিলার

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের সময় বিবেক জানিয়েছেন যে তিনি মির্জাপুরের চুনার থানার ওয়াচম্যান হিসাবে কাজ করেছিলেন এবং ২০১৮ সালের ফেব্রুয়ারতে মাসিক ৯ হাজার টাকা বেতনে সুরেন্দ্র নায়ারণ সিংয়ের ড্রাইভার হিসাবে কাজে যোগ দেন। বিধায়কের হয়ে কাজ করার সময় বিবেক তাঁর পরিবারের সদস্যের মতো হয়ে ওঠেন। বিবেককে বিশ্বাস করে বিধায়ক তাঁর ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের বিশদ বিবরণ ও মোবাইল ফোন দেন বিবেককে। এটিএম কার্ডের সাহায্যে মোবাইল এবং ওষুধের অর্থ পেমেন্টের বিষয়টি দেখাশোনা করতেন বিবেক। আর সেই সুযোগটাই কাজে লাগিয়েছেন তিনি। মেবাইল ও ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের তথ্য হাতে পাওয়ার পর বিবেক অ্যামাজন, ফ্লিপকার্ট-সহ অনলাইন বিপণন অ্যাপগুলি ডাউনলোড করে দেদার কেনাকাটা করতে শুরু করেন। এইভাবে ২০২১ সাল পর্যন্ত তিনি বিধায়কের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট থেকে প্রায় ৩০ লাখ টাকা খরচ করেন।