Alimony Rules: আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী স্ত্রীকে স্থায়ী খরপোষ নয়, রায় আদালতের

স্বামী বা স্ত্রী আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী এবং স্বাধীন হলে, তাকে স্থায়ী খরপোষ (Alimony) দেওয়া যাবে না। এমনই রায় দিল দিল্লি হাইকোর্ট। এক মামমলায় দিল্লি হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ, বিচারক অনিল ক্ষেত্রপাল এবং হরিশ বৈদ্যনাথন শঙ্কর বলেছেন,"স্থায়ী খরপোষ (এলিমনি) সামাজিক ন্যায়বিচারের একটি উপায়, অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি বা দুজন সক্ষম ব্যক্তির আর্থিক সমতার জন্য নয়।"

Alimony Rules: আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী স্ত্রীকে স্থায়ী খরপোষ নয়, রায় আদালতের
Photo Credits: ANI/Wikimedia Commons

Alimony: স্বামী বা স্ত্রী আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী এবং স্বাধীন হলে, তাকে স্থায়ী খরপোষ (Alimony) দেওয়া যাবে না। এমনই রায় দিল দিল্লি হাইকোর্ট (Delhi High Court)। এক মামমলায় দিল্লি হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ, বিচারক অনিল ক্ষেত্রপাল এবং হরিশ বৈদ্যনাথন শঙ্কর বলেছেন," বিবাহ বিচ্ছেদ (Divorce)-র পর স্থায়ী খরপোষ (Permanent Alimony) সামাজিক ন্যায়বিচারের একটি উপায়, অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি বা দুজন সক্ষম ব্যক্তির আর্থিক সমতার জন্য নয়।" আদালত আরও জানিয়েছে, খরপোষ চাওয়ার জন্য প্রার্থীকে আর্থিক সহায়তার সত্যিকারের প্রয়োজন প্রমাণ করতে হবে।

কী জানাল আদালত

বেঞ্চের রায়ে বলা হয়েছে, "যেখানে আবেদনকারী আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী এবং স্বাধীন, সেখানে হিন্দু বিবাহ আইনের ধারা ২৫-এর অধীনে বিচারিক বিচারের বিচাক্ষণতা ব্যবহার করে এলিমনি দেওয়া যাবে না।"এই রায়টি দেওয়া হয় একটি পরিবার আদালতের আদেশকে সমর্থন করে, যেখানে এক মহিলাকে স্থায়ী খরপোষ দেওয়া হয়নি এবং স্বামীর উপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের অভিযোগে বিবাহবিচ্ছেদ দেওয়া হয়েছে।

দেখুন খবরটি

মামলাটা কী নিয়ে ছিল

মামলার ঘটনার বিবরণ অনুযায়ী, এই দম্পতি, যারা পূর্বে বিবাহ বিচ্ছেদ করেছিলেন। ২০১০ সালের জানুয়ারিতে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন, কিন্তু ১৪ মাসের মধ্যেই আলাদা হয়ে যান। স্বামী একজন প্র্যাকটিসিং অ্যাডভোকেট, এবং স্ত্রী একজন গ্রুপ-এ ভারতীয় রেলওয়ে ট্রাফিক সার্ভিস (IRTS) অফিসার। স্বামী অভিযোগ করেন যে, স্ত্রী মানসিক ও শারীরিক নির্যাতন চালিয়েছেন, যার মধ্যে রয়েছে অবমাননাকর ভাষা, অশ্লীল টেক্সট মেসেজ, যৌন অধিকার প্রত্যাখ্যান এবং পেশাগত ও সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করা। স্ত্রী এই অভিযোগ অস্বীকার করেন এবং স্বামীর বিরুদ্ধে নির্যাতনের অভিযোগ তোলেন।

ডিভোর্সের মামলায় খরপোষে ৫০ লক্ষ টাকা দাবি করা হয়েছিল

পরিবার আদালত বিবাহবিচ্ছেদ দেন এবং রেকর্ডে উল্লেখ করেন যে, স্ত্রী বিবাহবিচ্ছেদে সম্মতি দেওয়ার জন্য ৫০ লক্ষ টাকা দাবি করেছিলেন। পরিবার আদালত এই দাবিটি খারিজ করেন। হাইকোর্ট পরিবার আদালতের আদেশে কোনও ত্রুটি খুঁজে পাননি। আদালত বলেছেন, “যখন একজন স্বামী অথবা স্ত্রী, দৃশ্যত বিবাহবিচ্ছেদ রোধ করতে গিয়ে, একই সঙ্গে বড় অঙ্কের অর্থের বিনিময়ে সম্মতি প্রদানের ভিত্তি রাখেন, এটি ইঙ্গিত করে যে বিরোধটি প্রেম, মিলন বা বিবাহ বন্ধন রক্ষার জন্য নয়, বরং আর্থিক উদ্দেশ্যে।"

(The above story first appeared on LatestLY on Oct 18, 2025 12:46 PM IST. For more news and updates on politics, world, sports, entertainment and lifestyle, log on to our website latestly.com).