Delhi Communal Clashes: দিল্লির পুলিশ প্রধানের রিপোর্ট তলব স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ-র
পুরনো দিল্লিতে সাম্প্রদায়িক উত্তেজনার পর চলছে শান্তি প্রার্থনা। (Photo Credit: ANI)

নয়া দিল্লি, ৩ জুন: Delhi Communal Clashes। অমিত শাহ (Amit Shah)-র রিপোর্ট তলব। পুরনো দিল্লির চাঁদনি চক এলাকায় সাম্প্রদায়িক অশান্তির ঘটনায় পুলিশের রিপোর্ট তলব করলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। চাঁদনি চক এলাকায় পরিস্থিতি কেমন, অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কী কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে তা নিয়ে আজ, বুধবার দিল্লির পুলিশ প্রধান অমূল্য পট্টনায়েককে তলব করে বৈঠক সারেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। এলাকায় শান্তি ফিরিয়ে আনার দিকে সবার আগে জোর দিতে বলেন অমিত শাহ।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকের পর দিল্লির পুলিশ প্রধান অমূল্য পট্টনায়েক জানান, পুরো ঘটনার কথা তিনি অমিত শাহকে জানিয়ে ব্রিফ করেছেন। প্রসঙ্গত, রবিবার রাতে পুরানো দিল্লির চাঁদনি চকের চাওরি বাজারের হাউজ কাজি অঞ্চলে গাড়ি পার্কিং করা নিয়ে দুই ব্যক্তির মধ্যে ঝগড়া পরে সাম্প্রাদিয়ক উত্তেজনা ও অশান্তিতে মোড় নেয়। সামান্য ঘটনা থেকে দ্রুত সাম্প্রদায়িক অশান্তি ছড়িয়ে পড়ে। আরও পড়ুন- অসাংবিধানিক কাজ করেছেন, রাজ্যসভায় যোগী আদিত্যনাথকে তিরস্কার কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর

সোমবার চাঁদনী চক ও চাউরি বাজার অঞ্চলে কয়েকটি দোকানে ভাঙচুর করা হয়। একটি ধর্মস্থানও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে গুজব ছড়িয়ে পড়ে। পুলিশ তদন্তে নেমে জানতে পারে, আশ মহম্মদ নামে বছর কুড়ির এক যুবক সঞ্জীব গুপ্ত নামে স্থানীয় এক বাসিন্দার বাড়ির সামনে স্কুটার দাঁড় করান। পেশায় খাবারের দোকানদার সঞ্জীব প্রতিবাদ করলে দুজনের মধ্যে বচসা শুরু হয়। এই ঘটনা সংক্রান্ত একটি ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়। যে ভিডিওটিতে দেখা যায়, এক ব্যক্তিকে কয়েকজন মত্ত ব্যক্তি মিলে মারধর করছেন। দু-পক্ষের মধ্যে গাড়ি পার্ক করা নিয়ে বচসার পর হয় এই অশান্তি। কোনও গুজব বা প্ররোচনার দ্বারা প্রভাবিত না হতে স্থানীয় বাসিন্দাদের কাছে অনুরোধ করা হয়েছে।

এক সর্বভারতীয় মিডিয়ায় প্রকাশ, রবিবার রাত ১১টা নাগাদ সঞ্জীব গুপ্ত নামে এক ব্যক্তির বাড়ির বাইরে স্কুটার রাখছিলেন আস মহম্মদ নামে একজন। সঞ্জীব বাড়ির ভিতর থেকে আসকে বলেন, ওখানে স্কুটার রাখবেন না। আমি নিজে ওখানে গাড়ি রাখব। এই নিয়ে তর্কবিতর্ক শুরু হয়। সঞ্জীব বাড়ির বাইরে বেরিয়ে আসেন। এক প্রত্যক্ষদর্শী জানিয়েছেন, স্থানীয় কয়েকজন মিলে আসকে মারধর করে। তিনি তখনকার মতো পালিয়ে যান। পরে নিজের পাড়া থেকে কয়েকজনকে ডেকে আনেন।