Marriage, Representational Image (Photo Credit: Pixabay)

পাটনা, ৭ জুলাই: ফেসবুকে (Facebook) পরিচয়। সেই পরিচয় থেকে বন্ধুত্ব ৫ বছর ধরে। বন্ধুত্ব অবশেষে দাম্পত্যে পরিণত হয় যখন আরতী কুমারী বিয়ে করেন মহম্মদ শাহবাজকে। মধ্যপ্রদেশের ইন্দোরের (Indore) বাসিন্দা আরতী সিংয়ের সঙ্গে শাহবাজের বিয়ে হয়। ফলে ইন্দোর থেকে বিহারের (Bihar) বেগুসরাইয়ে শ্বশুরবাড়িতে চলে যান আরতী। 'লভ জিহাদ'- (Love Jihad) এর জেরে বিয়ে এবং তারপর থেকে অশান্তি শুরু হয় ভিন্নধর্মী দম্পতির (Madhya Pradesh Couple) মাঝে।

বেগুসরাইয়ে শ্বশুরবাড়িতে যাওয়ার পরই পালটে যাবন শাহবাজ। দাবি আরতী সিংয়ের। ইন্দোরর ওই তরুণীর অভিযোগ, বিয়ের পর শাহবাজ ক্রমাগত তাঁকে ধর্ম পরিবর্তনের জন্য চাপ দিতে শুরু করেন। সেই সঙ্গে শুরু হয় স্ত্রীকে গোমাংস (Beef) খাওয়ানোর জন্য পীড়াপিড়ি। আরতী রাজি না হওয়ায় তাঁকে জোর জবরদস্তি শুরু করেন শাহবাজ। এমনকী আরতীর মোবাইল থেকে সমস্ত ঠাকুরের ছবিও ডিলিট করে দেন শাহবাজ। যা নিয়ে ইন্দোরের ওই তরুণী আপত্তি জানালে, তাঁরে শাহবাজ মারধর শুরু করেন বলে অভিযোগ।

ঘটনার ভয়াবহতা কেঁপে ওঠেন আরতী। তিনি বেগুসরাই পুলিশের দ্বারস্থ হন। সেই সঙ্গে তাঁকে যাতে ইন্দোরে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হয়, সেই দাবিও করেন আরতী।

ইন্দোরের তরুণীর আরও অভিযোগ, শাহবাজ নিজেকে সোনা, রুপোর দোকানের মালিক বলে দাবি করেছিলেন। অথচ বাস্তবে শাহবাজের ফুলের মালার দোকান রয়েছে। তিনি কোনও সোনার দোকানের মালক নন বলে জানতে পারেন আরতী। সেই সঙ্গে কান্নাকাটিও শুরু করেন ওই তরুণী।

তিনি বলেন, শাহবাজকে বিয়ের পর থেকে তাঁর বাবা-মা কোনও যোগাযোগ রাখেননি। মেয়ে মৃত বলে ধরে নিয়েছেন তাঁরা। তাই পুলিশ যাতে তাঁকে ইন্দোরে তাঁর বাড়িতে পাঠানোর ব্যবস্থা করে, েসই আবেদন জানাতে শুরু করেন সংশ্লিষ্ট তরুণী।