দক্ষিণ কোরিয়ার গিয়াংজুতে তিন দিনের ‘এশিয়া প্যাসিফিক কো-অপারেশন সামিট’ হবে আগামী ৩০ অক্টাবর থেকে ১ নভেম্বর পর্যন্ত।তাতে যোগ দিতে দক্ষিণ কোরিয়া পৌঁছলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে দক্ষিণ কোরিয়ায় যাওয়ার পিছনে আরও একটি বড় কারণ রয়েছে ট্রাম্পের। দ্বিতীয় মেয়াদে হোয়াইট হাউজে আসার পর ট্রাম্প বিভিন্ন দেশের ওপর শুল্ক আরোপ করেছেন। তার যুক্তি হলো এই নীতি দেশটির উৎপাদন ও কর্মসংস্থান বাড়াবে।চিনের পণ্যের উপরে ১৫৫ শতাংশ শুল্ক চাপানোর হঁশিয়ারি দিয়েছিলেন আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। অতিরিক্ত শুল্ক প্রকোপ এড়ানোর জন্য মার্কিন প্রেসিডেন্টের বক্তব্য ছিল, আগামী ১ নভেম্বরের মধ্যে বৈঠকে বসতে হবে। পাল্টা চিনেরও ‘বার্তা’ ছিল, ‘ভুল শুধরে’ আলোচনায় বসার। সেই সঙ্গে হুঁশিয়ারিও ছিল, ‘‘তা না হলে চিন যা করার করবে।’’ অবশেষে দুই দেশের রাষ্ট্রপ্রধানের মুখোমুখি দেখা হতে চলেছে এই দক্ষিণ কোরিয়ায়।
VIDEO | US President Donald Trump (@POTUS) arrives at Busan, South Korea.
(Full video available on PTI Videos - https://t.co/n147TvrpG7)
(Source: Third party) pic.twitter.com/NJ6XbkGagQ
— Press Trust of India (@PTI_News) October 29, 2025
সংবাদ সংস্থা রয়টার্সের তথ্য অনুযায়ী, আগামী ৩০ অক্টোবর-বৃহস্পতিবার দক্ষিণ কোরিয়াতেই আমেরিকার প্রেসিডেন্ট দেখা করবেন চিনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে। উল্লেখ্য গত ২৩ অক্টোবর ট্রাম্প জানিয়েছিলেন, দক্ষিণ কোরিয়ায় তাঁদের দেখা হতে চলেছে। আমেরিকা ও চিনের সম্পর্ক ‘খুব ভাল’ বলেও দাবি করেছিলেন তিনি। বলেছিলেন, ‘‘দুই দেশেরই উপকার হয় এমন উপায় খুঁজে বার করা হবে।’’ অবেশেষে সামনে এল ‘সমাধান’-এর লক্ষ্যে দুই রাষ্ট্রপ্রধানের সাক্ষাতের দিন।
এই সামিটের পর শুক্রবার থেকে এশিয়া সফর শুরু করবেন ট্রাম্প বলে জানিয়েছে হোয়াইট হাউস, ওই দিন তিনি মালয়েশিয়ার উদ্দেশে রওনা হবেন।