Tyson Foods Pork Processing Plant: করোনায় আক্রান্ত ৯০০ কর্মী, তবুও ডোনাল্ড ট্রাম্পের মাংস প্রক্রিয়াকরণ পুনরায় চালু করার নির্দেশে চিন্তায় টাইসন ফুডস পর্ক প্রসেসিং প্ল্যান্টের কর্মকর্তারা
টাইসন ফুডস পর্ক প্রসেসিং প্ল্যান্ট (Photo Credits: Flickr)

নিউইয়র্ক, ১ মে: বর্তমানে ইন্ডিয়ানা টাইসন ফুডস পর্ক প্রসেসিং প্ল্যান্টের (Indiana Tyson Foods Pork Processing Plant) প্রায় ৯০০ জন কর্মী করোনাভাইরাসে আক্রান্ত। উইশ টিভির একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, করোনাভাইরাস প্রাদুর্ভাবের কারণে লোগানসপোর্টে মাংস প্রক্রিয়াজাতকরণ স্বেচ্ছায় বন্ধ করা হয়েছে। লোগানসপোর্ট প্ল্যান্টে ২,২০০ জন লোক নিয়োজিত রয়েছেন এবং এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ শ্রমিকের পরীক্ষা করা হয়েছে COVID-19 পজিটিভ।

কাস কাউন্টি কমিশনার রায়ান ব্রাউনিং টাইসন এবং স্বাস্থ্য বিভাগের সঙ্গে কার্যকরভাবে পুনরায় তা খোলার জন্য পরিকল্পনা চালাচ্ছে। তবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald Trump)মাংস প্রসেসিং প্ল্যান্ট পুনরায় চালু করার আদেশ দেওয়ার পরে উদ্বিগ্ন হন কর্মকর্তারা। লোগানসপোর্টে মাংস প্রক্রিয়াকরণ করোনাভাইরাস প্রাদুর্ভাবের কারণে স্বেচ্ছায় বন্ধ করেছে টাইসন প্রকল্পগুলি। আরও পড়ুন, কোভিড-১৯ এর জন্ম উহানের ভাইরোলজির ল্যাবে, মুখ খুললেন ডোনাল্ড ট্রাম্প

ওই প্রতিবেদনে টাইসন প্ল্যান্টের ক্যাস কাউন্টির স্বাস্থ্য বিভাগের প্রশাসক সেরেনিটি অল্টার বলেছেন, "আমরা কয়েক সপ্তাহ ধরে ভাল অবস্থায়তেই ছিলাম এবং তারপরে কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই প্রচুর সংখ্যক কর্মী আক্রান্ত হয়ে গেলেন।" তিনি আরও জানান, আগামী কয়েকদিনে আক্রান্তের সংখ্যা ঝাঁপিয়ে বাড়তে পারে। এই সপ্তাহের শুরুতে, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প একটি আদেশে স্বাক্ষর করেছেন যার অর্থ আমেরিকান সুপারমার্কেটের মুরগী, শুয়োরের মাংস এবং অন্যান্য মাংসের ঘাটতি বন্ধ করতে হবে। করোনাভাইরাস প্রাদুর্ভাবের ফলে বন্ধ হয়ে পরে রয়েছে। তাঁর আদেশ মাংস প্রক্রিয়াকরণকে উন্মুক্ত রাখার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো হিসাবে শ্রেণিবদ্ধ করতে প্রতিরক্ষা উত্পাদন আইন ব্যবহার করবে।

অন্যদিকে ডোনাল্ড ট্রাম্প আবার দাবি করেন,  এই মারণ ভাইরাসের উৎপত্তি চিনের উহান শহরের ভাইরোলজির ল্যাবে। বৃহস্পতিবার অত্যন্ত আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে একথা বললেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald Trump)। হোয়াইট হাউসের ইস্ট রুমে চলছিল সাংবাদিক সম্মেলন। সেই সময়ই জোর গলায় কোভিড-১৯ এর জন্মের দায়ভার চিনের ঘাড়ে চাপিয়ে দেন ট্রাম্প। যে উহানের ভাইরোলজির ল্যাব থেকেই এসেছে করোনাভাইরাস। তবে এনিয়ে কোনও বিশদ তথ্য এখনই দিতে নারাজ প্রেসিডেন্ট। শুধু বলেছেন তদন্ত চলছে, খুব শিগগির প্রমাণ মিলবে।