UNSECO USA: বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) থেকে ন্যাটো (NATO)। চার বছর পর মার্কিন প্রেসিডেন্টের গদিতে বসে একের পর গোষ্ঠী, সংস্থার সঙ্গে কার্যত পায়ের ওপর পা দিয়ে ঝগড়া করেছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প (President Donald Trump)। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আগের সব নিয়ম, রীতি ভেঙে ট্রাম্প (President Trump) চলেছেন তাঁর নিজস্ব নিয়মে। 'আমেরিকা ফার্স্ট'স্লোগান দিয়ে ট্রাম্পের আমেরিকা এবার ইউনেসকো থেকে নিজেদের সরিয়ে নিচ্ছে। ইউনেসকো-তে পালেস্টাইনকে সদস্য রাষ্ট্র হিসেবে গ্রহণের সিদ্ধান্ত নিয়ে বেজায় চটেছেন ট্রাম্প। প্যালেস্টাইনকে সদস্য করে ইজরায়েল বিরোধী নীতি নিয়েছে বলে ক্ষোভ প্রকাশ করে নিজেদের UNSECO থেকে সরানোর হুমকি দিল ট্রাম্পের দেশ।
প্যালেস্টাইন কেন সদস্য, তাই সরছেন ট্রাম্প
প্য়ালেস্টাইন নিয়ে সিদ্ধান্ত বদল না করলে ইউনেসকো থেকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রত্যাহারের প্রক্রিয়া ২০২৬ সালের ৩১ ডিসেম্বর থেকে কার্যকর হবে বলেও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিদেশমন্ত্রকের একটি সরকারী বিবৃতিতে জানানো হয়েছে। গোটা বিশ্বে শিক্ষা, সংস্কৃতি ও মানবাধিকার উন্নয়নের কাজ করে সব মহলে প্রশংসিত হয় UNESCO। ইউনেসকো পালেস্টাইনকে সদস্য রাষ্ট্র হিসেবে গ্রহণের সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করে সরে দাঁড়ালেন ট্রাম্প, এমন খবর প্রকাশিত হয়েছে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে।
দেখুন খবরটি
Trump administration pulls US from UNESCO, cites its decision to admit Palestine as a member state. pic.twitter.com/SJ5U2iBXjb
— Elizabeth Hagedorn (@ElizHagedorn) July 22, 2025
এই কি প্রথম ইউনেসকো থেকে নিজেদের সরাচ্ছে আমেরিকা?
তবে ২০২৬ সাল পর্যন্ত আমেরিকা ইউনেসকোর পূর্ণ সদস্য হিসেবে থাকবে এবং সংস্থার কার্যকলাপে অংশ নেবে বলে ট্রাম্প প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। প্রসঙ্গত, ১৯৪৫ সালের ১৬ নভেম্বর দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পরে, শান্তি ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ইউনিসকো গঠন করেছিল রাষ্ট্রসংঘ। রাষ্ট্রসংঘের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতি সংস্থা হল UNESCO। বিশ্বের বিভিন্ন ঐতিহাসিক স্থান, মন্দির, মসজিদ, প্রাকৃতিক দৃশ্য ইত্যাদি সংরক্ষণের জন্য তালিকাভুক্ত করে ইউনেসকো। এর আগে রোনাল্ড রেগানের আমলে ১৯৮৪ সালে ইউনসেকো থেকে নিজেদের সরিয়ে নিয়েছিল আমেরিকা। রেগানের যুক্ত ছিল, ইউনেসকোর পিছনে বিপুল অর্থ খরচ করাটা যুক্তিহীন। তবে পরে ২০০৩ সালে ইউনেসকো-তে ফিরেছিল আমেরিকা।
এর আগে হু-র সদস্যপদ প্রত্যাহার করেন ট্রাম্প
এর আগে গত মাসে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO)-র জন্য বরাদ্দ তহবিল স্থগিত এবং আনুষ্ঠানিকভাবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সদস্যপদ প্রত্যাহারের ঘোষণা করেছিলেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। ন্যাটো থেকে সরে আসার হুমকিও দিয়েছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। নিজের দেশ হাভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে বিদেশি ছাত্র ভর্তি বন্ধের দাবি করে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিরুদ্ধে কার্যত জেহাদ ঘোষণা করেন ট্রাম্প।