Flood: করোনাকালে বিশ্বের দুই প্রান্তে দুই ভয়াবহ বন্যা, শ্রীলঙ্কায় মৃত ১৪, ব্রাজিলে ২৪ হাজার পরিবার ক্ষতিগ্রস্থ
শ্রীলঙ্কায় ভয়াবহ বন্যা। (ছবি-পিটিআই)

কলম্বো, ৬ জুন: একেই দুটো দেশেই করোনার ভয়াবহ বিপর্যস্ত। তার মধ্যে আবার প্রকৃতির রোষ। ভারতের প্রতিবেশী দ্বীপরাষ্ট্র শ্রীলঙ্কায় প্রবল বৃষ্টির (Sri Lanka Rain) কারণে ভূমিধসে (LandSlides) কমপক্ষে ১৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। অন্তত আড়াই লক্ষ মানুষ বন্যার কবলে ক্ষতিগ্রস্থ। টানা বৃষ্টির কারণে জলস্তর (Water Level) বেড়েই চলেছে। শ্রীলঙ্কার পশ্চিম, দক্ষিণ অংশের বন্যা (Flood) পরিস্থিতি খারাপের দিকে যাচ্ছে। গতকাল কলম্বো থেকে ৯০ কিমি পূর্বে আরন্যকায় ভূমিধসের কারণে একই পরিবারের চারজনের মৃত্যু হয়েছে। দেশের বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনি উদ্ধারকাজে নেমেছে। এদিকে, শ্রীলঙ্কার করোনার পরিস্থিতিও ক্রমশ খারাপের দিকে যাচ্ছে। বিদেশীদের আসার ওপর সম্পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। দেশের কার্যত লকডাউনের পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।আরও পড়ুন: এক নাগাড়ে বৃষ্টি এবং ঝোড়ো হাওয়ার দাপট, শ্রীলঙ্কায় বাড়ছে মৃতের সংখ্যা

অন্যদিকে, ব্রাজিলের রিও নেগ্রো নদীর জল বিপদসীমা ছাড়ানোর পর ভেসে গিয়েছে দেশের একাংশ। ১৯০২ সালের পর অ্যামজন অঞ্চলে রিও নেগ্রো নদীর জল বিপদসীমা থেকে ৩০ মিটার ছাড়িয়ে গিয়েছে। যার ফলে মানাউস শহর তো বটেই আরও বেশ কিছু অঞ্চল এখনও জলের তলায়। ব্রাজিলে ২৪ হাজারেরও বেশি মানুষ বন্যার কবলে দারুণভাবে ক্ষতিগ্রস্থ। সাম্প্রতিককালে অ্যামাজন অঞ্চলে বন্যার ঘটনা বারবার বন্যা হচ্ছে।

এই অঞ্চলে ৬২টি শহরের মধ্যে ৪৮টি শহরে বন্যার কারণে এমার্জেন্সি ঘোষণা করা হয়েছে। তবে যখব ব্রাজিলের একটা অংশে বন্যার কবলে, তখন দেশের একটা অংশে প্রবল খরা। আর করোনা? ব্রাজিলের করোনা সংক্রমণের হার বেড়েই চলেছে। প্রথম ঢেউ, দ্বিতীয় ঢেউ সবেতেই বিশ্বের সেরা পাঁচ ক্ষতিগ্রস্থ তালিকায় ব্রাজিল আছে।