Moa Bird. (Photo Credits: X)

Moa Bird: দুনিয়ার ইতিহাসে অন্যতম বড় পাখি 'মোয়া' বিলুপ্ত হয়ে গিয়েছে ৬০০ বছর আগে। এক অবাক করা উদ্যোগে একদল বিজ্ঞানী ও বায়োটেক কোম্পানি চেষ্টা করছেন ৬০০ বছর আগে বিলুপ্ত হয়ে যাওয়া বিশাল পাখি ‘মোয়া’-কে আবার পৃথিবীর বুকে ফিরিয়ে আনার। একটি পূর্ণবয়স্ক সিংহের ওজন যতটা, তার কাছাকাছি ২৩০ কেজির ওজন ছিল মোয়া পাখির। এত ভারি শরীরের জন্য এই নিউ জিল্যান্ডের কয়েকটি বনজঙ্গলে বসবাসরকারী পাখিগুলি আকাশে উড়তে পারত না। মোয়া প্রায় ৬০০ বছর আগে মানুষের শিকার ও আবাসস্থল ধ্বংসের কারণে সম্পূর্ণ বিলুপ্ত হয়ে যায়। একটা সময় নিউজিল্যান্ডের বন-জঙ্গল জুড়ে হাজার হাজার সংখ্যায় বিচরণ করত মোয়া। যদিও সেই সময়কার নির্ভুল সংখ্যা জানা সম্ভব নয়, তবে প্রত্নতাত্ত্বিক ও জীববৈজ্ঞানিক গবেষণায় কিছু ধারণা পাওয়া যায়। কিন্তু ধীরে ধীরে পরিবেশের সঙ্গে কাপ খাওয়াতে না পেরে এরা বিলুপ্ত হয়ে যায়।

জিনগত পরিবর্তন করে বিলুপ্ত প্রায় পাখিকে ফেরানোর উদ্যোগ

এখন বিজ্ঞানীরা এই বিশাল প্রাণীটিকে জেনেটিক প্রযুক্তির মাধ্যমে পুনরুজ্জীবিত করার চেষ্টা করছেন। এই বিষয়ে গবেষকরা জানাচ্ছেছেন, মোয়া পাখির পুরনো হাড় থেকে সংগ্রহ করা DNA-র জিনগত পরিবর্তন ঘটিয়ে তারা একটি মোয়া-জাতীয় পাখির জন্ম দিতে চাইছেন। নিউজিল্যান্ডের বাসিন্দা এই বিশাল, উড়তে না-পারা পাখিটি আকারে ইমু বা টিনামোর চেয়েও বড় ছিল।

দৈত্যকার মোয়া পাখি ফেরানোর উদ্যোগ বিজ্ঞানীদের

ফের কি বনাঞ্চলে দেখা যাবে মোয়া-কে?

তবে বিশেষজ্ঞদের জানিয়েছে, জিনগত পরিবর্তনের পর যে নতুন প্রজাতির পাখির জন্ম দেবেন তা আসল মোয়া নয়, বরং জেনেটিকালি সম্পাদিত মোয়া-র মত দেখতে একটি পাখি হবে। তবে পাখিগুলি বন্য পরিবেশে ছাড়ার উপযুক্ত হবে না। এবং আপনি যদি জড়িয়ে ধরতে না যান, তাহলে তার লাথিও খাওয়ার ভয় নেই!