দিল্লি, ২৮ জুলাই: ইজরায়েলের (Israel) সঙ্গে হামাসের (Hamas) যুদ্ধের জেরে দুর্ভিক্ষ (Mass Starvation) নেমে আসতে শুরু করেছে। গাজ়ার মানুষের অনাহারে দিন কাটতে শুরু করেছে। বর্তমানে গাজ়ায় ১০ ঘণ্টার যুদ্ধ বিরতি ঘোষণা করা হয়েছে। তবে যুদ্ধ বিরতি ঘোষণা হলেও, তার মাঝে শান্তি নেই। ইজরায়েলের গোলা প্যালেস্তাইনের (Palestine) এই ভূখণ্ডের বিভিন্ন জায়গায় পড়তে শুরু করেছে।
গাজ়ায় (Gaza) যখন গণ দুর্ভিক্ষ আছড়ে পড়তে শুরু করেছে, সেই সময় আন্তর্জাতিক চাপের মুখে ইজরায়েল। গাজ়ায় শিশু মৃত্যু যখন ইজরায়েলকে লজ্জা দিচ্ছে, সেই সময় খানিকটা বাধ্য হয়েই ১০ ঘণ্টার যুদ্ধ বিরতি ঘোষণা করে বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু সরকার। গাজ়ার মানুষের কাছে যাতে যাতে কিথু খাবার পৌঁছে দেওয়া যায়, তার জন্যই এই যুদ্ধ বিরতি ঘোষণা।
এই যুদ্ধ বিরতির মাঝে সংযুক্ত আরব আমিরশাহি থেকে খাবার ফেলা হচ্ছে গাজ়ায়। বিমানে করে খাবার নিয়ে গিয়ে গাজ়ায় ফেলছে সংযুক্ত আরব আমিরশাহি।
জর্ডনের তরফেও গাজ়ায় খাবার ফেলা হচ্ছে।
জানা যাচ্ছে, জর্ডনের দুটি বিমানে ভরে ২৫ টন খাবার গাজ়ায় ফেলা হচ্ছে। খাবারের পাশাপাশি ওষুধপত্র, প্রয়োজনীয় জিনিসপত্রও গাজ়ায় ফেলতে শুরু করেছে জর্ডন এই যুদ্ধ বিরতির অবসরে।
গাজ়ার বিভিন্ন অঞ্চলের মাথার উপর চক্কর কাটছে সংযুক্ত আরব আমিরশাহি এবং জর্ডনের বিমান। আর সেখান থেকেই খাবারদাবার পাঠানো হচ্ছে দুর্ভিক্ষ-পীড়িত গাজ়ায়।
গাজ়া, দেইর-আল-বালাহ, মুওয়াসিতে যুদ্ধ বিরতি ঘোষণা করেছে ইজরায়েল। দুর্ভিক্ষ-পীড়িত এলাকার মানুষের কাছে যাতে খাবার পৌঁছে দেওয়া যায়, তার জন্যই ঘোষণা করা হয়েছে ক্ষণিক সময়ের যুদ্ধ বিরতি।
গাজ়ার পরিস্থিতি খারাপ হচ্ছে ক্রমশ
আন্তর্জাতিক মহলের কথায়, গাজ়ার বর্তমান জনসংখ্যার নিরিখে সেখানকার অর্ধেক মানুষ অভুক্ত অবস্থায় রয়েছেন। যার মধ্যে বহু শিশু রয়েছে। গাজ়ার বহু মানুষ যেমন অভুক্ত অবস্থায় রয়েছেন, তেমনি তাঁদের শারীরিক অবস্থার অবনতিও হচ্ছে ক্রমাগত। ফলে গাজ়ার পরিস্থিতি নিয়ে চিন্তা বাড়তে শুরু করেছে প্রায় গোটা বিশ্বের।