Donald Trump (Photo Credit: ANI/X)

দিল্লি, ২ সেপ্টেম্বর: পাকিস্তানের (Pakistan) সঙ্গে পরিবারের ব্যবসা রয়েছে। পাকিস্তানের সঙ্গে পরিবারের সরাসরি ব্যবসা রয়েছে বলেই ভারতকে (India) পাশে ঠেলে দিচ্ছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald Trump)। নিজের পারিবারিক ব্যবসা যাতে পাকিস্তানের সঙ্গে ভাল চলে, তার জন্যই ভারতকে দূরে ঠেলে দিয়েছেন ট্রাম্প। মার্কিন প্রেসিডেন্টের সম্পর্কে এবার এভাবেই বোমা ফাটালেন আমেরিকার প্রাক্তন এনএসএ অর্থাৎ জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা জ্যাক সুলিভান। জ্যাক বলেন, ডোনাল্ড ট্রাম্পের পারিবারিক ব্যবসা রয়েছে পাকিস্তানের সঙ্গে।

জো বাইডেন সরকারের আমলে জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা ছিলেন জ্যাক সুলিভান। আর সেই প্রাক্তন মার্কিন কর্তাই এবার প্রেসিডেন্টের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ করেন। সুলিভান আরও বলেন, ভারতের সঙ্গে যে দূরত্ব তৈরি করেছে আমেরিকা, তার মাশুল গুনতে হবে। ভারতের সঙ্গে এই দূরত্বের জেরে (India-US Tariff Issue) আমেরিকার নিজের স্বার্থে আঘাত লাগবে বলেও মন্তব্য করেন প্রাক্তন মার্কিন কর্তা।

আরও পড়ুন: Trump Tariff War: ভারতকে নিয়ে ফের বিস্ফোরক দাবি ট্রাম্পের, মোদী সরকারের শুল্ক কমানোর প্রস্তাব নিয়ে কী দাবি মার্কিন প্রেসিডেন্টের

ট্রাম্প পরিবারের যে বিটকয়েনের ব্যবসা রয়েছে পাকিস্তানের সঙ্গে, তার জন্যই ভারতকে পাশে সরিয়ে দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। এমনও দাবি করেন জ্যাক সুলিভান।

পাশাপাশি ট্রাম্পের বিদেশনীতি নিয়ে খুব কম আলোচনা হয়। তাই এই বিষয়গুলি প্রকাশ্যে উঠে আসতে পারছে না বলেও মন্তব্য করেন আমেরিকার প্রাক্তন এনএসএ। সবকিছু মিলিয়ে ভারতের সঙ্গে আমেরিকার যে শুল্ক যুদ্ধ শুরু হয়েছে, তার জেরে এবার ফের ট্রাম্প প্রশাসনকে নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য করলেন সে দেশের প্রাক্তন নিরাপত্তা উপদেষ্টা।

এদিকে ট্রাম্পের সঙ্গে দূরত্ব বাড়তেই ভারত এবং চিন কাছাকাছি আসতে শুরু করেছে। সাংহাই কোঅপারেশন অর্গানাইজেশনের বৈঠকে ইতিমধ্যেই চিনের তিয়ানজিনে গিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। আর সেখানে চিনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গেও যেমন হাসি, খুশি মুখে মোদীকে দেখা যায়, তেমনি রুশ প্রেসিডেন্টের সঙ্গেও গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা প্রধানমন্ত্রী সেরে ফেলেছেন বলে খবর।

রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে বন্ধু মোদীর সম্পর্কের রসায়ন দেখেছে গোটা বিশ্ব। তিয়ানজিনে সভাস্থলে একই গাড়িতে যাওয়া হোক কিংবা ক্যামেরার সামনে পোজ়, মোদীর সঙ্গে পুতিনের বন্ধুত্ব আরও জোরদার হয়েছে বলেই মনে করছে আন্তর্জাতিক মহল।