Kartarpur Sahib Corridor:শিখদের জন্য সুখবর, কর্তারপুর সাহিব করিডোর নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ চুক্তি স্বাক্ষর ভারত-পাকিস্তানের
তাই এই পবিত্র স্থানে যাতে ভারতীয় শিখ ধর্মাবলম্বীরা যেতে পারে তাই ২০১৯ সালে এই চুক্তি স্বাক্ষর করা হয়।
নয়াদিল্লিঃ কর্তারপুর সাহিব করিডর(Kartarpur Sahib Corridor) নিয়ে ভারত-পাকিস্তানের (India-Pakistan)চুক্তির মেয়াদ বাড়ল আরও ৫ বছর। মঙ্গলবার আরও পাঁচ বছরের জন্য চুক্তি পুনর্নবীকরন করল ভারত ও পাকিস্তান। শিখ সম্প্রদায়ের মানুষ যাতে তাঁদের তীর্থ স্থানে যেতে পারেন তার ব্যবস্থা করল কেন্দ্রীয় সরকার। মঙ্গলবার এই চুক্তির মেয়াদ বাড়ানোর প্রস্তাবে স্বাক্ষর করে, এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট করে এ কথা জানিয়েছেন বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর(External Affairs Minister S Jaishankar) নিজেই। পাশাপাশি বিদেশমন্ত্রকের তরফে একটি প্রেস বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে। সেখানে উল্লেখ করা হয়েছে, কূটনৈতিক চ্যানেলের মাধ্যমে কর্তারপুর সাহিব করিডরে প্রবেশের মেয়াদ আরও পাঁচ বছর বৃদ্ধি করা হয়েছে। ২৪ অক্টোবর ২০১৯ সালে এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল। ভারত থেকে গুরুদ্বোয়ারা দরবার সাহিব কর্তারপুরে যাতে শিখ সম্প্রদায় যেতে পারেন তার ব্য়বস্থা করাই ছিল এই চুক্তির মূল লক্ষ্য। আর এই চুক্তির মেয়াদ বৃদ্ধির অর্থ হল ভারতীয়দের কর্তারপুর সাহিব করিডোরে যাওয়ার ক্ষেত্রে কোনওরকম বাধা থাকবে না। প্রসঙ্গত, শিখ ধর্মাবলম্বীদের জন্য এই করিডর অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। ১৯৪৭ সালে দেশভাগের পর কর্তারপুর সাহিব পাকিস্তানের পঞ্জাব প্রদেশে পড়ে। এটি শিখদের অন্যতম পবিত্র ধর্মীয়স্থান। মনে করা হয়, গুরু নানক তাঁর জীবনের শেষ ১৮ বছর এখানেই কাটিয়েছিলেন। তাই এই পবিত্র স্থানে যাতে ভারতীয় শিখ ধর্মাবলম্বীরা যেতে পারে তাই ২০১৯ সালে এই চুক্তি স্বাক্ষর করা হয়।
কর্তারপুর সাহিব করিডোর নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ চুক্তি স্বাক্ষর ভারত-পাকিস্তানের
India and Pakistan have renewed the agreement on Sri Kartarpur Sahib Corridor for the next five years.
PM @narendramodi’s government will continue to facilitate our Sikh community’s access to their holy sites.
— Dr. S. Jaishankar (@DrSJaishankar) October 22, 2024
(The above story first appeared on LatestLY on Jan 01, 1970 05:30 AM IST. For more news and updates on politics, world, sports, entertainment and lifestyle, log on to our website latestly.com).

