নয়াদিল্লি: বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা (Former Bangladesh Prime Minister Sheikh Hasina) মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে অভিযুক্ত হয়েছেন। ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় ব্যাপক বিক্ষোভের মুখে পড়েন শেখ হাসিনা। এই আন্দোলন দমনে নিরাপত্তা বাহিনী কর্তৃক প্রাণঘাতী শক্তি প্রয়োগের অভিযোগ উঠে। জাতিসংঘের তদন্ত অনুযায়ী, এই সময়ে প্রায় ১,৪০০ মানুষ প্রাণ হারান। এই হত্যাকাণ্ড ও সহিংসতার জন্য শেখ হাসিনাকে দায়ী করা হচ্ছে।
শেখ হাসিনার ফাঁস হওয়া অডিও রেকর্ডিং প্রকাশিত হয়, যেখানে তিনি নিরাপত্তা বাহিনীকে বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে ‘প্রাণঘাতী অস্ত্র’ ব্যবহারের নির্দেশ দিয়েছেন বলে দাবি করা হয়। যদিও এটির সত্যতা নিয়ে বিতর্ক রয়েছে। আরও পড়ুন: PM Narendra Modi: নামিবিয়া সফর সেরে বুধেই নয়াদিল্লির উদ্দেশ্যে রওনা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর, দেখুন ভিডিয়ো
শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগ বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ (International Crimes Tribunal-1) দ্বারা গঠন করা হয়েছে। এটি বাংলাদেশের একটি বিশেষ আদালত, যা ১৯৭৩ সালের আন্তর্জাতিক অপরাধ (ট্রাইব্যুনাল) আইনের অধীনে মানবতাবিরোধী অপরাধ এবং গণহত্যার মতো মামলার বিচার করে।
শেখ হাসিনা বর্তমানে ভারতে রয়েছেন। ২০২৪ সালের আগস্টে ছাত্র-জনতার আন্দোলনের পর তিনি বাংলাদেশ ত্যাগ করেন এবং ভারতে রাজনৈতিক আশ্রয় নেন।