Baba Vanga (Photo Credit: Wikimedia Commons)

Baba Vanga's Predictions: চারপাশে যুদ্ধের আবহ। রাশিয়া-ইউক্রেন থেকে শুরু করে ইজরায়েল-গাজ়া কিংবা ইরান-ইজরায়েল-আমেরিকা, একের পর এক দেশে বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্যে ক্রমাগত উত্তেজনা বাড়ছে। ফলে ২০২৫ সাল শেষ হতে চললেও, ২০২৬ নিয়ে আশঙ্কা ছড়াচ্ছে। ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু যেমন গাজ়ার সীমানা ছাড়িয়ে কখও কাতার আবার কখনও ইরান আবার লেবাননে বোমা ফেলছেন জঙ্গি নিকেষের নাম করে, সেই সময় রাশিয়াও শান্তি চুক্তির পথে পা বাড়াচ্ছে না।

ফলে গোটা পৃথিবীকে যেন অস্থিরতা ঘিরে ধরেছে। বিশ্ববল্যাপী মানুষের মধ্যে গ্রাস করছে উত্তেজনা। গোটা পৃথিবীর অস্থিরতার সঙ্গে সংযুক্ত হচ্ছে বাবা ভাঙার (Baba Vanga) ভবিষ্যবাণী, তাঁর সতর্কতা।

১৯৯৬ সালে প্রয়াত হন বাবা ভাঙা। যাঁকে 'নস্ত্রাদামুস অফ বালকানস' বলা হত। বাবা ভাঙা আজ পর্যন্ত যেকটি ভবিষ্যতবাণী করেছেন, তার মধ্যে কোভিড থেকে ভূমিকম্পের পূর্বাভাস, প্রায় সবকটিই মিলে গিয়েছে। তাই বাবা ভাঙা যুদ্ধ নিয়ে যে ভবিষ্যতবাণী করেছেন, তা যদি মিলে যায়, তাহলে ২০২৬ সাল যথেষ্ট আশঙ্কা নিয়েই মানুষের মধ্যে হাজির হবে বলে মনে করছেন অনেকে।

প্রকৃতিক বিপর্যয় বেড়েই চলেছে 

দিনের পর দিন ধরে গোটা বিশ্ব জুড়ে প্রাকৃতিক বিপর্যয় বেড়ে গিয়েছে। জাপান থেকে রাশিয়া হোক কিংবা ক্যালিফোর্নিয়া উপকূল কিংবা ভারতের উত্তরাখণ্ড, হিমাচল প্রদেশের মেঘভাঙা বৃষ্টি কিংবা গত সোমবার হয়ে যাওয়া কলকাতায় অস্বাভাবিক হারে বৃষ্টির বৃদ্ধি। প্রকৃতি যে মেপ মেপে শোধ তুলছে বিষ্ণ উষ্ণায়নের জন্য, তা বেশ স্পষ্ট।

বিশ্ব যুদ্ধের দিকে এগোচ্ছে 

তৃতীয় বিশ্ব যুদ্ধের (World War 3) দিকে এগোচ্ছে মানুষ? যুদ্ধ নিয়ে বাবা ভাঙার ভবিষ্যতবাণী নিয়ে আপাতত তোলপাড় শুরু হয়েছে। তাইওয়ানের কবজা করতে চিন যেভাবে এগোচ্ছে কিংবা আমেরিকার সঙ্গে রাশিয়ার দ্বন্দ্ব, সবকিছুই যেন তৃতীয় বিশ্ব যুদ্ধের প্রেক্ষাপট তৈরি করছে। ফলে ২০২৬ সাল পড়তে না পড়তেই তৃতীয় বিশ্ব যুদ্ধে শুরু হবে কি না, তা নিয়ে জোর জল্পনা শুরু হয়েছে।

এলিয়েনের আগমণ 

২০২৬ সাল থেকে মানুষ কি এলিয়েনের সংস্পর্শ আসবে, তা নিয়েও আশঙ্কা ছড়াচ্ছে। ২০২৬ সালে একটি সুবিশাল স্পেসক্রাফ্ট পৃথিবীর বুকে নামতে পারে বলে বাবা ভাঙা আগেই ভবিষ্যতবাণী করেন।

আর্টিফিসিয়াল ইনটেলিজেন্স 

২০২৬ সালে চাকরিবাকরির বাজারে কোপ বসাবে আর্টিফিসিয়াল ইনটেলিজেন্স। এমন আশঙ্কা শুরু হয়েছে। ইতিমধ্যেই এআইয়ের দাপটে বহু মানুষের চাকরি যাচ্ছে। ২০২৬ সালে তা মারাত্মক আকার ধারণ করতে পারে বলে আশঙ্কা।