রাজ্যের হিমালয় পাদদেশীয় এলাকায় এবং সংলগ্ন সিকিমে একটি ঘূর্ণাবর্ত তৈরি হয়েছে। এদিকে, দক্ষিণ ওড়িশা এবং সংলগ্ন অন্ধ্রপ্রদেশ উপকূলীয় এলাকায় তৈরি হয়েছে নিম্নচাপ অক্ষরেখা। এরাজ্যের পুরুলিয়া ও দীঘার ওপর দিয়ে মৌসুমী অক্ষরেখা বিস্তৃত রয়েছে। এই তিনের ফলে বাতাসে প্রচুর পরিমাণ জলীয় বাষ্প প্রবেশ করায় উত্তরবঙ্গে আগামী ২-৩ দিন বিক্ষিপ্তভাবে ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টির সম্ভাবনার কথা জানিয়েছে হাওয়া অফিস। অন্যদিকে দক্ষিণ ওড়িশা উপকূলের কাছাকাছি ঘূর্ণাবর্তের টানে বঙ্গোপসাগর থেকে প্রচুর পরিমাণে জলীয় বাষ্প স্থলভাগে ঢুকছে। এর জেরে দক্ষিণবঙ্গেও একাধিক জেলায় ঝড়বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। বাদ যাবে না কলকাতাও।
আজ জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার ও উত্তর দিনাজপুর জেলায় রয়েছে হলুদ সতর্কতা। শুক্রবার দক্ষিণবঙ্গের প্রায় সব জেলাতেই বিক্ষিপ্তভাবে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ ঝড়বৃষ্টি হতে পারে। সঙ্গে ঘণ্টায় ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইবে। শনিবার কলকাতা, হাওড়া, দুই ২৪ পরগনা, দুই মেদিনীপুর, বীরভূম, নদিয়া এবং মুর্শিদাবাদে ঝড়বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। ওই জেলাগুলির জন্য হলুদ সতর্কতা জারি হয়েছে। রবিবার হাওড়া, দুই ২৪ পরগনা, দুই মেদিনীপুর এবং ঝাড়গ্রামে ঝড়বৃষ্টি হতে পারে।
অন্য দিকে, সপ্তাহভর ভারী বৃষ্টি চলবে উত্তরবঙ্গে। শুক্রবার ভারী বৃষ্টি হতে পারে দার্জিলিং, কালিম্পং, জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার এবং কোচবিহারে। শনিবার আলিপুরদুয়ার ও জলপাইগুড়ি জেলায় অতি ভারী বৃষ্টির কমলা সতর্কতা রয়েছে।