রাজ্যে মৌসুমী অক্ষরেখা পুরুলিয়া ও দীঘা হয়ে উত্তর-পূর্ব বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। তবে নিম্নচাপের প্রভাব কমেছে গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গের উপর থেকে। এর জেরেই কমেছে বৃষ্টিপাতের পরিমাণ। তবে আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস, রোদের দেখা পাওয়া গেলেও যখন তখন কয়েক পশলা হালকা বৃষ্টি হতে পারে।শুক্রবার ঝড়বৃষ্টির জন্য উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুরে সতর্কতা জারি করা হয়েছে। বাকি জেলায় বৃষ্টি হলেও সতর্কতা জারি করার মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়নি। শনিবার কলকাতা-সহ দক্ষিণের প্রায় সব জেলায় ঝড়বৃষ্টির জন্য সতর্কতা জারি করা হয়েছে। সব জেলায় ঘণ্টায় ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার গতিতে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে।
উত্তরবঙ্গের প্রতিটা জেলাতেই হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর।আগামী রবিবার থেকে উত্তরবঙ্গে বাড়তে পারে বৃষ্টির পরিমাণ।উত্তরবঙ্গের আট জেলাতেও আগামী বুধবার পর্যন্ত হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। সপ্তাহান্তে কোনও কোনও জেলায় ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। শনিবার দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহারে ভারী বৃষ্টি হতে পারে। সতর্কতা জারি করা হয়েছে।
Current Weather Status & Outlook for next two weeks (18th July, 2025 to 31st July, 2025) pic.twitter.com/Yv69zklk0n— IMD Kolkata (@ImdKolkata) July 17, 2025
গত দেড় মাসের বৃষ্টিতে উত্তরে কিছুটা খামতি থাকলেও দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টি হয়েছে পর্যাপ্ত। হাওড়া, হুগলি, নদীয়া, মুর্শিদাবাদে তিল চাষ কিছুটা ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে। কৃষক বন্ধুরা বলছেন, ধারাবাহিক বৃষ্টি থাকায় রোদের অভাবে তিল ঠিকমতো ঘরে তোলা যায়নি। অন্যদিকে সবজির আকাশ ছোঁয়া দামে সাধারণ মানুষ নাজেহাল। তবে আশার কথা শোনাচ্ছেন কৃষি বিশেষজ্ঞরা