বাংলাদেশ সংলগ্ন গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গের উপরে সৃষ্ট ঘূর্ণাবর্তটি বর্তমানে গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গের উত্তরাংশে অবস্থান করছে। সেই সঙ্গে উত্তর রাজস্থানের শ্রী গঙ্গাসাগর থেকে ঝাড়খণ্ডের রাঁচি হয়ে দক্ষিণবঙ্গের ডায়মন্ড হারবার পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে মৌসুমী অক্ষরেখা। এই দুয়ের প্রভাবে আজ সারা রাজ্যে বিশেষ করে দক্ষিণবঙ্গের উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা, নদীয়া, হুগলি, পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান, বীরভূম, পুরুলিয়া ও বাঁকুড়ায় বজ্রবিদ্যুৎ সহ ভারী বৃষ্টি কোথাও কোথাও অতি ভারী বৃষ্টির সতর্কতা জানানো হয়েছে। ঘন্টায় ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার বেগে দমকা হাওয়াও থাকবে।
আলিপুর আবহাওয়া দপ্তরের পূর্বাঞ্চলীয় প্রধান ডঃ সোমনাথ দত্ত সাংবাদিক বৈঠকে বলেন, আগামী কয়েকদিন কলকাতায় প্রধানত মেঘলা আকাশ। হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি। তবে
উত্তরবঙ্গের জেলাগুলিতে বিশেষ করে, দার্জিলিং, কালিম্পং জলপাইগুড়ি ও আলিপুরদুয়ারে আগামী মাসের ২ তারিখ থেকে ৬ তারিখ পর্যন্ত ভারী বৃষ্টির কমলা সতর্কতা জারি করা হয়েছে। এক বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে তাঁরা জানিয়েছেন এই কয়েকদিনের বৃষ্টিতে দক্ষিণবঙ্গের বেশ কিছু জায়গায় জল জমার সম্ভাবনা রয়েছে এবং কাঁচা বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।
শুক্রবার কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের প্রায় সব জেলায় ঝড়বৃষ্টির জন্য সতর্কতা জারি করা হয়েছে। হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির পাশাপাশি ঘণ্টায় ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার গতিতে ঝড় বইতে পারে। পুরুলিয়া, পশ্চিম বর্ধমান, বীরভূমে হতে পারে ভারী বৃষ্টি। শনিবারও কলকাতা-সহ বেশ কয়েকটি জেলায় ঝড়বৃষ্টির জন্য রয়েছে সতর্কতা। কলকাতার পাশাপাশি হুগলি, দুই ২৪ পরগনা, দুই বর্ধমান, বীরভূম, মুর্শিদাবাদ, নদিয়ায় সতর্কতা জারি করা হয়েছে। আগামী বুধবার পর্যন্ত রাজ্যে ঝড়বৃষ্টি চলবে বলে জানিয়েছে হাওয়া অফিস।
এদিকে, শুক্রবার উত্তরবঙ্গের আট জেলাতেই ঝড়বৃষ্টির জন্য সতর্কতা জারি করা হয়েছে। দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ারে আগামী বুধবার পর্যন্ত টানা ভারী বৃষ্টি চলবে। শনি, রবি, সোমবার সেখানে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টি হতে পারে। জারি করা হয়েছে সতর্কতা। উত্তর দিনাজপুরেও আগামী মঙ্গলবার পর্যন্ত ভারী বৃষ্টির সতর্কতা রয়েছে।