WB Weather (Photo Credit: X@airnews_kolkata)

অষ্টমীর বৃষ্টি ব্যাঘাত ঘটিয়েছে পুজোর  উদযাপনে।এবার  নবমী এবং দশমীতেও রাজ্যে বৃষ্টির পূর্বাভাস। তাই আজ ও কাল ঠাকুর দেখতে বেরোলে ছাতা-রেইনকোট নিয়ে বেরোনোর কথাই ভেবে রেখেছে বাঙালি। বিশেষ বুলেটিনে জানা গেছে পশ্চিম মধ্য বঙ্গোপসাগরের ওপর গতরাতেই নিম্নচাপ এলাকা তৈরি হয়েছে। আগামী ২৪ ঘন্টায় তা আরোও ঘনীভূত হয়ে পশ্চিম মধ্য এবং সংলগ্ন উত্তর পশ্চিম বঙ্গোপসাগরের ওপর অবস্থান করবে।২ অক্টোবর দশমীতে তা গভীর নিম্নচাপে পরিনত হবে। তারপর পশ্চিম-মধ্য ও সংলগ্ন উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরে একটি ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হতে পারে। পরে তা অগ্রসর হয়ে তিন তারিখ সকালে এটি দক্ষিণ ওড়িশা ও উত্তর অন্ধ্রপ্রদেশ উপকূল অতিক্রম করবে বলে আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে। এর ফলে আগামী ৫ তারিখ পর্যন্ত রাজ্যে হালকা থেকে মাঝারি এবং কোথাও কোথাও ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।

ঘূর্ণাবর্ত এবং নিম্নচাপের জোড়াফলায় ,আজ দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় বিক্ষিপ্তভাবে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।নবমী এবং দশমীতে বৃষ্টিভেজা পুজোর কথা আগেই হাওয়া অফিস জানিয়েছিল। তবে ২ থেকে ৫ অক্টোবরের মধ্যে নতুন করে তৈরি হওয়া নিম্নচাপের প্রভাবে রাজ্যের অধিকাংশ জেলায় হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে।উত্তরবঙ্গেও রয়েছে বৃষ্টির পূর্বাভাস, আগামীকাল থেকে বৃষ্টির পরিমাণ বাড়তে পারে ওপরের ৫ টি জেলায়। কয়েকটি জেলায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টিরও আশঙ্কা রয়েছে বলে জানিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর।

আগামী চার তারিখ পর্যন্ত মৎস্যজীবীদের ওড়িশা পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশ উপকূল এবং গভীর সমুদ্রে যেতে নিষেধ করা হয়েছে।